দুর্গাপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, গ্রেপ্তার ৩

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:০৭:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ৮১ বার পঠিত হয়েছে

ওয়াহিদুল ইসলাম

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে বিরোধের জেরে এক যুবকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত প্রায় ১০টার দিকে পৌর শহরের তেরীবাজার এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ওয়াহিদুল ইসলাম (৩৫) স্থানীয় বাসিন্দা এবং মৃত আব্দুল মৃধার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাড়ির সামনে বের হলে প্রতিবেশী নূর মোহাম্মদের সঙ্গে ওয়াহিদুল ইসলামের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একপর্যায়ে নূর মোহাম্মদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পেটে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা প্রথমে তাকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করে। প্রথমে নূর মোহাম্মদের মা নূরনাহার এবং তার বোনের জামাই মাজেদুলকে আটক করা হয়। পরে ভোররাতে জেলা শহরের মালনী এলাকা থেকে মূল অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার এ ঘটনায় বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে এবং মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরা। তারা দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

দুর্গাপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ০৩:০৭:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে বিরোধের জেরে এক যুবকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত প্রায় ১০টার দিকে পৌর শহরের তেরীবাজার এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ওয়াহিদুল ইসলাম (৩৫) স্থানীয় বাসিন্দা এবং মৃত আব্দুল মৃধার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাড়ির সামনে বের হলে প্রতিবেশী নূর মোহাম্মদের সঙ্গে ওয়াহিদুল ইসলামের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একপর্যায়ে নূর মোহাম্মদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পেটে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা প্রথমে তাকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করে। প্রথমে নূর মোহাম্মদের মা নূরনাহার এবং তার বোনের জামাই মাজেদুলকে আটক করা হয়। পরে ভোররাতে জেলা শহরের মালনী এলাকা থেকে মূল অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার এ ঘটনায় বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে এবং মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরা। তারা দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।