গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভাঙা ড্রেনের স্ল্যাব নিজস্ব অর্থায়নে মেরামত করে এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছেন শফিকুল ইসলাম শফিক।

ড্রেনের স্ল্যাব মেরামতে শফিকের মানবিক উদ্যোগ

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়ান পয়েন্ট গলি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি ড্রেনের স্ল্যাব ভেঙে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছিল। প্রতিদিন শত শত মানুষ, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রিকশাচালক ও বিভিন্ন ধরনের ছোট যানবাহনের চালক ঝুঁকি নিয়ে ওই সড়ক ব্যবহার করতেন। সামান্য অসাবধানতায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগও বাড়ছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি বিদ্যমান থাকলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে এলাকাবাসীকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছিল। বিশেষ করে বর্ষার সময় ভাঙা স্ল্যাবের কারণে চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। শিশু, বৃদ্ধ ও নারীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হন।

এমন পরিস্থিতিতে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসেন গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা এবং ১৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম শফিক। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে ভাঙা ড্রেনের স্ল্যাব মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শুরু করার ব্যবস্থা করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই স্ল্যাব মেরামতের কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে। বর্তমানে পথচারী ও যানবাহন চালকরা অনেক বেশি নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিনের একটি সমস্যার সমাধান হওয়ায় তারা স্বস্তি অনুভব করছেন। তারা বলেন, জনস্বার্থে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এমন কাজ করা সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের বিত্তবান ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা এ ধরনের উদ্যোগ নিলে সাধারণ মানুষের অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেই মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করার মানসিকতা ইতিবাচক বার্তা বহন করে। জনদুর্ভোগ নিরসনে এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।

এ বিষয়ে মো. শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। এলাকার মানুষের কষ্ট ও দুর্ভোগ দেখে নিজ উদ্যোগে কাজটি করেছি। মানুষের উপকার করতে পারাটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দ। ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

এদিকে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নাগরিক সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। তারা মনে করেন, সময়মতো অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান করা হলে দুর্ঘটনা কমবে এবং নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত হবে।

এলাকার মানুষের মতে, ভাঙা ড্রেনের স্ল্যাব মেরামতের এই উদ্যোগ শুধু একটি অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান নয়, বরং জনকল্যাণে সামাজিক দায়িত্ববোধেরও একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভাঙা ড্রেনের স্ল্যাব নিজস্ব অর্থায়নে মেরামত করে এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছেন শফিকুল ইসলাম শফিক।

ড্রেনের স্ল্যাব মেরামতে শফিকের মানবিক উদ্যোগ

প্রকাশ: ০৯:৪১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়ান পয়েন্ট গলি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি ড্রেনের স্ল্যাব ভেঙে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছিল। প্রতিদিন শত শত মানুষ, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রিকশাচালক ও বিভিন্ন ধরনের ছোট যানবাহনের চালক ঝুঁকি নিয়ে ওই সড়ক ব্যবহার করতেন। সামান্য অসাবধানতায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগও বাড়ছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি বিদ্যমান থাকলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে এলাকাবাসীকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছিল। বিশেষ করে বর্ষার সময় ভাঙা স্ল্যাবের কারণে চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। শিশু, বৃদ্ধ ও নারীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হন।

এমন পরিস্থিতিতে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসেন গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা এবং ১৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম শফিক। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে ভাঙা ড্রেনের স্ল্যাব মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শুরু করার ব্যবস্থা করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই স্ল্যাব মেরামতের কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে। বর্তমানে পথচারী ও যানবাহন চালকরা অনেক বেশি নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিনের একটি সমস্যার সমাধান হওয়ায় তারা স্বস্তি অনুভব করছেন। তারা বলেন, জনস্বার্থে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এমন কাজ করা সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের বিত্তবান ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা এ ধরনের উদ্যোগ নিলে সাধারণ মানুষের অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেই মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করার মানসিকতা ইতিবাচক বার্তা বহন করে। জনদুর্ভোগ নিরসনে এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।

এ বিষয়ে মো. শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। এলাকার মানুষের কষ্ট ও দুর্ভোগ দেখে নিজ উদ্যোগে কাজটি করেছি। মানুষের উপকার করতে পারাটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দ। ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে চাই। এজন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

এদিকে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নাগরিক সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। তারা মনে করেন, সময়মতো অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান করা হলে দুর্ঘটনা কমবে এবং নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত হবে।

এলাকার মানুষের মতে, ভাঙা ড্রেনের স্ল্যাব মেরামতের এই উদ্যোগ শুধু একটি অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান নয়, বরং জনকল্যাণে সামাজিক দায়িত্ববোধেরও একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।