রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে ইসির বৈঠক

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত হয়েছে

জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি দল বৈঠকে বসেছেন।

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একটি প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সাংবিধানিক ও আইনগত প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার অংশ হিসেবেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।

সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী এমন পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় পরামর্শ করছে।

জানা গেছে, বৈঠকে সম্ভাব্য নির্বাচনী তফসিল, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং নির্বাচন পরিচালনার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার আগে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করা নির্বাচন কমিশনের একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া।

এর আগে সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি জাতীয় সংসদ সচিবের কাছে পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে স্পিকারের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাক্ষাতের জন্য সময় নির্ধারণে সহযোগিতা চাওয়া হয়।

সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় স্পিকারের সঙ্গে আলোচনার পর সরকারি গেজেটে তফসিল প্রকাশের বিধান রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমান বৈঠকের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য সময়সূচি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য জানানো হতে পারে।

জনপ্রিয় টার্গেট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে ইসির বৈঠক

প্রকাশ: ১২:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একটি প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সাংবিধানিক ও আইনগত প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার অংশ হিসেবেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।

সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী এমন পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় পরামর্শ করছে।

জানা গেছে, বৈঠকে সম্ভাব্য নির্বাচনী তফসিল, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং নির্বাচন পরিচালনার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার আগে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করা নির্বাচন কমিশনের একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া।

এর আগে সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি জাতীয় সংসদ সচিবের কাছে পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে স্পিকারের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাক্ষাতের জন্য সময় নির্ধারণে সহযোগিতা চাওয়া হয়।

সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় স্পিকারের সঙ্গে আলোচনার পর সরকারি গেজেটে তফসিল প্রকাশের বিধান রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমান বৈঠকের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য সময়সূচি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য জানানো হতে পারে।