সংবাদ সম্মেলনে অপপ্রচার, হামলা ও জমি বিরোধের অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান সাবেক কাউন্সিলর হাজী মো. আবুল হোসেন মোল্লা।

ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাইলেন সাবেক কাউন্সিলর

সাভার পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাজী মো. আবুল হোসেন মোল্লা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন।

একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ ধারাবাহিকভাবে তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে সাভারের নামাবাজার এলাকার খালেক মার্কেট সংলগ্ন স্থানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এসব অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, ‘সাভারের স্থায়ী ছেলে’ নামে পরিচালিত একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে বিভ্রান্তিকর, মানহানিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। তার অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে সাভার সদর ইউনিয়নের ঘোড়াদিয়া এলাকার খোকন মোল্লা, যিনি স্থানীয়ভাবে ‘কানা খোকন’ নামে পরিচিত, এবং তার দুই ছেলে ইফাদ মোল্লা ও ফাহাদ মোল্লার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং তাদের এসব কার্যক্রমের প্রতিবাদ করায় এখন তাকে ও তার পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জমি-সংক্রান্ত বিরোধ প্রসঙ্গে সাবেক এই কাউন্সিলর বলেন, গত ২৬ জুন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে বিরোধপূর্ণ জমি পরিমাপের সময় প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে আনোয়ার মোল্লা ও মনির মোল্লা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে আনোয়ার মোল্লার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তিনি জানান, এ ঘটনার পর ২৮ জুন মনির মোল্লার স্ত্রী রেহেনা বেগম বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে ঘটনার প্রকৃত চিত্র আড়াল করতে প্রতিপক্ষ পাল্টা মামলা করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং পুরো বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত চান। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচার বন্ধ এবং অভিযোগের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

তবে সংবাদ প্রকাশ পর্যন্ত অভিযুক্ত খোকন মোল্লা, ইফাদ মোল্লা ও ফাহাদ মোল্লার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অপপ্রচার, হামলা ও জমি বিরোধের অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান সাবেক কাউন্সিলর হাজী মো. আবুল হোসেন মোল্লা।

ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাইলেন সাবেক কাউন্সিলর

প্রকাশ: ১০:৩৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

সাভার পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাজী মো. আবুল হোসেন মোল্লা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন।

একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ ধারাবাহিকভাবে তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে সাভারের নামাবাজার এলাকার খালেক মার্কেট সংলগ্ন স্থানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এসব অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, ‘সাভারের স্থায়ী ছেলে’ নামে পরিচালিত একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে বিভ্রান্তিকর, মানহানিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। তার অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে সাভার সদর ইউনিয়নের ঘোড়াদিয়া এলাকার খোকন মোল্লা, যিনি স্থানীয়ভাবে ‘কানা খোকন’ নামে পরিচিত, এবং তার দুই ছেলে ইফাদ মোল্লা ও ফাহাদ মোল্লার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং তাদের এসব কার্যক্রমের প্রতিবাদ করায় এখন তাকে ও তার পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং তার ব্যক্তিগত ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জমি-সংক্রান্ত বিরোধ প্রসঙ্গে সাবেক এই কাউন্সিলর বলেন, গত ২৬ জুন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে বিরোধপূর্ণ জমি পরিমাপের সময় প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে আনোয়ার মোল্লা ও মনির মোল্লা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে আনোয়ার মোল্লার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তিনি জানান, এ ঘটনার পর ২৮ জুন মনির মোল্লার স্ত্রী রেহেনা বেগম বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে ঘটনার প্রকৃত চিত্র আড়াল করতে প্রতিপক্ষ পাল্টা মামলা করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং পুরো বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত চান। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচার বন্ধ এবং অভিযোগের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

তবে সংবাদ প্রকাশ পর্যন্ত অভিযুক্ত খোকন মোল্লা, ইফাদ মোল্লা ও ফাহাদ মোল্লার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।