৯ একরের মৎস্যঘেরে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ; আসামিদের গ্রেপ্তার ও পরিবারের নিরাপত্তায় প্রশাসনের আকুল আবেদন

কয়রায় জমি ও মৎস্যঘের দখল এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

খুলনার কয়রায় জমি দখল, চাঁদাবাজি, মৎস্যঘের দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে কয়রা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাগালী ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ সানা লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তোলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রশিদ সানা দাবি করেন, প্রতিবেশী জহুরুল শিকারী, কোহিনুর সানা, বাপ্পি ওরফে শুভ, আশিক ও রবিউল সানাসহ তাদের সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারকে এলাকা ছাড়ার হুমকি দিয়ে আসছে। তারা অন্যায়ভাবে চাঁদা দাবি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ একাধিকবার হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ৭ জুলাই রাতে বাগালী মৌজায় অবস্থিত তাদের ৯ একর আয়তনের মৎস্যঘেরে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ঘেরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তাঁর ছোট ভাই মিনারুল সানা ও ভাবি রেহেনা খাতুনকে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং মৎস্যঘেরটি জোরপূর্বক দখল করে নেওয়া হয়।

আব্দুর রশিদ সানা আরও জানান, ঘের দখল ও হামলার ঘটনায় কয়রা থানা ও খুলনার পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হলেও পুলিশ এ বিষয়ে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ফলে অভিযুক্তরা বর্তমানে দখলকৃত ঘের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে তাদের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার, দখলকৃত মৎস্যঘের উদ্ধার এবং তাঁর পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের আশু ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

৯ একরের মৎস্যঘেরে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ; আসামিদের গ্রেপ্তার ও পরিবারের নিরাপত্তায় প্রশাসনের আকুল আবেদন

কয়রায় জমি ও মৎস্যঘের দখল এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ: ০৩:৪০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

খুলনার কয়রায় জমি দখল, চাঁদাবাজি, মৎস্যঘের দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে কয়রা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাগালী ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ সানা লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তোলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রশিদ সানা দাবি করেন, প্রতিবেশী জহুরুল শিকারী, কোহিনুর সানা, বাপ্পি ওরফে শুভ, আশিক ও রবিউল সানাসহ তাদের সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারকে এলাকা ছাড়ার হুমকি দিয়ে আসছে। তারা অন্যায়ভাবে চাঁদা দাবি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ একাধিকবার হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ৭ জুলাই রাতে বাগালী মৌজায় অবস্থিত তাদের ৯ একর আয়তনের মৎস্যঘেরে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ঘেরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তাঁর ছোট ভাই মিনারুল সানা ও ভাবি রেহেনা খাতুনকে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং মৎস্যঘেরটি জোরপূর্বক দখল করে নেওয়া হয়।

আব্দুর রশিদ সানা আরও জানান, ঘের দখল ও হামলার ঘটনায় কয়রা থানা ও খুলনার পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হলেও পুলিশ এ বিষয়ে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ফলে অভিযুক্তরা বর্তমানে দখলকৃত ঘের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে তাদের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার, দখলকৃত মৎস্যঘের উদ্ধার এবং তাঁর পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের আশু ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।