শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কর্তৃক গৃহিত হওয়ার পর, ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জ্যেষ্ঠ নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে প্রধানের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই নতুনভাবে দায়িত্বের ঘোষণা করা হয়েছে।
বর্তমানে প্রহ্লাদ ভেঙ্কটেশ জোশী কেন্দ্রীয় ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবন্টন এবং নতুন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রকের দায়িত্বে রয়েছেন। এর পাশাপাশি এখন থেকে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদারকি ও করবেন। ২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় ফিরে আসা পাঁচ বারের এই সংসদ সদস্যকে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের অন্যতম বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন নেতা হিসেবেই গণ্য করা হয়েছে।
১৯৬২ সালের নভেম্বরে উত্তর কর্ণাটকের একটি ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণকারী যোশী অল্প বয়সে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) সাথে যুক্ত হন। ১৯৯৬ সালে কর্ণাটক বিধানসভায় নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমেই তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়।
পরবর্তীতে ২০০৪ সালে ধারওয়াদ-হুব্বালী লোকসভা আসন থেকে বিজয়ী হয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং এরপর থেকে প্রতিটির সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে নিজের আসনটি ধরে রেখেছেন। ২০১৯ সালে তিনি প্রথম মোদি মন্ত্রিসভায় সংসদীয় বিষয়কমন্ত্রী এবং কয়লা ও খনি মন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কর্ণাটকের প্রভাবশালী লিঙ্গায়েত সম্প্রদায়ের কিছু অংশের বিরোধিতার মুখে পড়লেও, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পাসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপের সেই সমস্যার সমাধান হয়।
সমস্ত রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও সমালোচনা পেরিয়ে প্রহ্লাদ যোশী কর্ণাটক রাজ্য শাখা এবং জাতীয় নেতৃত্বে বিজেপির অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী মুখ হিসেবে নিজের অবস্থান অটুট রেখেছেন।
দৈনিক টার্গেট 






















