বাংলাদেশকে সাফ জেতাতে গোল দেবেন কে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:৪৮:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পঠিত হয়েছে

আমার কাছে গত ২৩ বছরে সাফের শিরোপা না জেতার পেছনে খেলোয়াড়দের দায় নেই। মূল সমস্যা পরিকল্পনার অভাব। আমাদের দেশে কি প্রতিভাবান ফুটবলারের অভাব? দেশের ৬৪ জেলা থেকে জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড়দের মাধ্যমে প্রতিভা খুঁজে বের করা যেতে পারে। প্রতিটি জেলা থেকে ১০ জন করে খেলোয়াড় বাছাই করলেও অনেক বড় একটি দল পাওয়া সম্ভব। তাদের একাডেমিতে রেখে প্রশিক্ষণ দিলে সেখান থেকে ভালো স্ট্রাইকার বেরিয়ে আসবে না, এমনটা আমি বিশ্বাস করি না।

এবার সাফে আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। তবে আবেগ দিয়ে হবে না, স্ট্রাইকারদের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। হামজা আছেন বলেই আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাব, এমন ভাবারও কারণ নেই। অন্য দেশগুলো অনেক এগিয়েছে। তবে আমি মনেপ্রাণে চাচ্ছি সাফ পুনরুদ্ধার হোক।

স্বাগতিক হিসেবে সাফ জিততে হলে গোল করতে হবে। ২০০৩ ও ২০১০ সালে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। ২০০৩ সালের সাফে আমাদের দল আটটি গোল করেছিল। আলফাজ ভাই, কাঞ্চন ভাইরা গোল করেছিলেন। ২০১০ এসএ গেমসে সব মিলিয়ে আমরা ১৩টি গোল করেছিলাম—এনামুল হক, মিঠুন চৌধুরী, তৌহিদুল আলম সবুজ; আমরা সবাই স্ট্রাইকার হিসেবে গোল করেছিলাম।

সাফ জিততে হলে স্ট্রাইকারদের গোল করার বিকল্প নেই। আমাদের বর্তমান দলে যেহেতু স্বীকৃত স্ট্রাইকারের ঘাটতি আছে, তাই পেছন থেকে এসে কেউ গোল করতে পারলে, এমনকি সেন্টারব্যাক তপু বর্মনও যদি গোল করে অবদান রাখতে পারে, সেটিও দলের জন্য বড় পাওয়া হবে। তবে জিততে হলে গোল করতেই হবে। আর গোল করার জায়গাটিতেই আমাদের দলের বড় ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশ দল কোনো না কোনোভাবে এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে।

আমার মনে হয়, যারা গোল করতে পারে, তাদের সামনের দিকে সুযোগ দেওয়া উচিত। রোনান সুলিভানের না থাকাটাও বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা। এই টুর্নামেন্টে অনেক গোলের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে দুই প্রান্ত থেকে প্রচুর ক্রস আসবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেগুলোকে গোলে পরিণত করবে কে?

শেখ মোরসালিন ও রাকিব হোসেন ভালো খেলোয়াড়, কিন্তু তারা কেউই স্বাভাবিক অর্থে স্বীকৃত স্ট্রাইকার নয়। ফলে এখনো দলে প্রকৃত স্ট্রাইকারের ঘাটতি আছে। একমাত্র মাহি খান আছে, তবে সে কতটা ম্যাচের চাপ সামলে দায়িত্ব পালন করতে পারবে, তা সময়ই বলে দেবে।

সাফ খেলতে ঢাকায় ভুটান

সাফ খেলতে ঢাকায় ভুটান

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে ভুটান। সেই লড়াইয়ের তিন দিন আগে আজ ঢাকায় এসে পৌঁছেছে দলটি। তবে এসেই মাঠে নামছে না তারা। আগামীকাল থেকে অনুশীলন শুরু করার পরিকল্পনা ভুটানের।

তাহলে এই কারণে বাদ পড়লেন রোনালদো

তাহলে এই কারণে বাদ পড়লেন রোনালদো

সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে আল নাসরের উজবেকিস্তান সফরের দলে জায়গা হয়নি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর। তবে কোচ অ্যাঞ্জে পোস্টেকোগলু জানিয়েছেন, ম্যাচের চাপ ও দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি বিবেচনায় পর্তুগিজ তারকাকে বিশ্রাম দিয়েছেন তিনি।

জনপ্রিয় টার্গেট

গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত হবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে সাফ জেতাতে গোল দেবেন কে

প্রকাশ: ১১:৪৮:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

আমার কাছে গত ২৩ বছরে সাফের শিরোপা না জেতার পেছনে খেলোয়াড়দের দায় নেই। মূল সমস্যা পরিকল্পনার অভাব। আমাদের দেশে কি প্রতিভাবান ফুটবলারের অভাব? দেশের ৬৪ জেলা থেকে জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড়দের মাধ্যমে প্রতিভা খুঁজে বের করা যেতে পারে। প্রতিটি জেলা থেকে ১০ জন করে খেলোয়াড় বাছাই করলেও অনেক বড় একটি দল পাওয়া সম্ভব। তাদের একাডেমিতে রেখে প্রশিক্ষণ দিলে সেখান থেকে ভালো স্ট্রাইকার বেরিয়ে আসবে না, এমনটা আমি বিশ্বাস করি না।

এবার সাফে আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। তবে আবেগ দিয়ে হবে না, স্ট্রাইকারদের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। হামজা আছেন বলেই আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাব, এমন ভাবারও কারণ নেই। অন্য দেশগুলো অনেক এগিয়েছে। তবে আমি মনেপ্রাণে চাচ্ছি সাফ পুনরুদ্ধার হোক।

স্বাগতিক হিসেবে সাফ জিততে হলে গোল করতে হবে। ২০০৩ ও ২০১০ সালে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। ২০০৩ সালের সাফে আমাদের দল আটটি গোল করেছিল। আলফাজ ভাই, কাঞ্চন ভাইরা গোল করেছিলেন। ২০১০ এসএ গেমসে সব মিলিয়ে আমরা ১৩টি গোল করেছিলাম—এনামুল হক, মিঠুন চৌধুরী, তৌহিদুল আলম সবুজ; আমরা সবাই স্ট্রাইকার হিসেবে গোল করেছিলাম।

সাফ জিততে হলে স্ট্রাইকারদের গোল করার বিকল্প নেই। আমাদের বর্তমান দলে যেহেতু স্বীকৃত স্ট্রাইকারের ঘাটতি আছে, তাই পেছন থেকে এসে কেউ গোল করতে পারলে, এমনকি সেন্টারব্যাক তপু বর্মনও যদি গোল করে অবদান রাখতে পারে, সেটিও দলের জন্য বড় পাওয়া হবে। তবে জিততে হলে গোল করতেই হবে। আর গোল করার জায়গাটিতেই আমাদের দলের বড় ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশ দল কোনো না কোনোভাবে এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে।

আমার মনে হয়, যারা গোল করতে পারে, তাদের সামনের দিকে সুযোগ দেওয়া উচিত। রোনান সুলিভানের না থাকাটাও বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা। এই টুর্নামেন্টে অনেক গোলের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে দুই প্রান্ত থেকে প্রচুর ক্রস আসবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেগুলোকে গোলে পরিণত করবে কে?

শেখ মোরসালিন ও রাকিব হোসেন ভালো খেলোয়াড়, কিন্তু তারা কেউই স্বাভাবিক অর্থে স্বীকৃত স্ট্রাইকার নয়। ফলে এখনো দলে প্রকৃত স্ট্রাইকারের ঘাটতি আছে। একমাত্র মাহি খান আছে, তবে সে কতটা ম্যাচের চাপ সামলে দায়িত্ব পালন করতে পারবে, তা সময়ই বলে দেবে।

সাফ খেলতে ঢাকায় ভুটান

সাফ খেলতে ঢাকায় ভুটান

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে ভুটান। সেই লড়াইয়ের তিন দিন আগে আজ ঢাকায় এসে পৌঁছেছে দলটি। তবে এসেই মাঠে নামছে না তারা। আগামীকাল থেকে অনুশীলন শুরু করার পরিকল্পনা ভুটানের।

তাহলে এই কারণে বাদ পড়লেন রোনালদো

তাহলে এই কারণে বাদ পড়লেন রোনালদো

সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে আল নাসরের উজবেকিস্তান সফরের দলে জায়গা হয়নি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর। তবে কোচ অ্যাঞ্জে পোস্টেকোগলু জানিয়েছেন, ম্যাচের চাপ ও দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি বিবেচনায় পর্তুগিজ তারকাকে বিশ্রাম দিয়েছেন তিনি।