মোজাম্মেল হককে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। ভাটারা থানায় দায়ের করা শামীম মিয়া হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাবিবুর রহমান।
মোজাম্মেল হকের পক্ষের আইনজীবী সোহেল মিয়া গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ভাটারা এলাকার ১০০ ফুট রাস্তার মাথায় ছাত্রজনতা মিছিল করছিল। ওই মিছিলে অতর্কিত হামলা হয়। এ সময় মিছিলে থাকার শামীম মিয়ার শরীরে চারটি গুলি বিদ্ধ হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মাদানী হাসপাতালে ও পরে ফরাজী হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে তিনি ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় শেখ হাসিনা, তাঁর মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে বলা হয়েছে, মোজাম্মেল হক মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন। পরবর্তীতে তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৫ সালের ৫ অক্টোবর দুপুরে রাজধানীর নিকেতন এলাকা থেকে বিএম মোজাম্মেল হককে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রিক বিভিন্ন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

দৈনিক টার্গেট 




















