১৭ বছর প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফিরে দায়িত্ব নিলেন দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৪০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • ২৪৮ বার পঠিত হয়েছে

১১ তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নাটকীয় পটপরিবর্তনের পর দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান।

এর মাধ্যমে তিনি এমন একটি পরিবারের দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখালেন-যে পরিবার ইতোমধ্যে রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা বহন করেছে।

লন্ডনের দীর্ঘ অধ্যায় শেষে প্রত্যাবর্তন

প্রায় ১৭ বছর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থান করার পর গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মামলাজনিত জটিলতার কারণে দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকতে হয়েছিল তাকে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসে, যার প্রেক্ষাপটে তার দেশে ফেরার পথ সুগম হয়।

ব্যক্তিগত শোকের মাঝেই দায়িত্বের প্রস্তুতি

দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় ৩০ ডিসেম্বর মারা যান তার মা, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে মায়ের মৃত্যু তার জন্য ছিল গভীর ব্যক্তিগত আঘাত। শোকের আবহেই শুরু হয় নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের প্রস্তুতি।

নতুন নেতৃত্বের সূচনা

দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমান দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর জোর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, তার নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আসবে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় বিদেশে থাকার অভিজ্ঞতা তাকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক কৌশল সম্পর্কে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। তবে সামনে রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ-অর্থনৈতিক চাপ, প্রশাসনিক সংস্কার এবং রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা তার সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা হবে।

ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় নতুন অধ্যায়

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে পরিবারভিত্তিক নেতৃত্ব নতুন নয়, তবে দ্বিতীয় প্রজন্ম হিসেবে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। সমর্থকরা এটিকে ধারাবাহিকতার প্রতীক হিসেবে দেখছেন, আর সমালোচকরা দেখছেন নতুনভাবে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ হিসেবে।

সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ কোন পথে এগোবে-তা সময়ই বলে দেবে। তবে ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের শাসনভার গ্রহণ করে রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন।

১৭ বছর প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফিরে দায়িত্ব নিলেন দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান

প্রকাশ: ১০:৪০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নাটকীয় পটপরিবর্তনের পর দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান।

এর মাধ্যমে তিনি এমন একটি পরিবারের দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখালেন-যে পরিবার ইতোমধ্যে রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা বহন করেছে।

লন্ডনের দীর্ঘ অধ্যায় শেষে প্রত্যাবর্তন

প্রায় ১৭ বছর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থান করার পর গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মামলাজনিত জটিলতার কারণে দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকতে হয়েছিল তাকে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসে, যার প্রেক্ষাপটে তার দেশে ফেরার পথ সুগম হয়।

ব্যক্তিগত শোকের মাঝেই দায়িত্বের প্রস্তুতি

দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় ৩০ ডিসেম্বর মারা যান তার মা, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে মায়ের মৃত্যু তার জন্য ছিল গভীর ব্যক্তিগত আঘাত। শোকের আবহেই শুরু হয় নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের প্রস্তুতি।

নতুন নেতৃত্বের সূচনা

দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমান দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর জোর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, তার নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আসবে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় বিদেশে থাকার অভিজ্ঞতা তাকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক কৌশল সম্পর্কে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। তবে সামনে রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ-অর্থনৈতিক চাপ, প্রশাসনিক সংস্কার এবং রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা তার সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা হবে।

ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় নতুন অধ্যায়

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে পরিবারভিত্তিক নেতৃত্ব নতুন নয়, তবে দ্বিতীয় প্রজন্ম হিসেবে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। সমর্থকরা এটিকে ধারাবাহিকতার প্রতীক হিসেবে দেখছেন, আর সমালোচকরা দেখছেন নতুনভাবে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ হিসেবে।

সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ কোন পথে এগোবে-তা সময়ই বলে দেবে। তবে ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের শাসনভার গ্রহণ করে রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন।