সৃষ্টিকর্তা দেখেছেন কতটা পরিশ্রম করেছি, ইউএস ওপেন জিতে জভেরেভ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৪১:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

২০২০ সালের ফাইনালে ডমিনিক থিয়েমের বিপক্ষে প্রথম দুই সেট জিতেও শেষ পর্যন্ত হেরে গিয়েছিলেন জভেরেভ। সেই হারের স্মৃতি দীর্ঘদিন তাঁর ক্যারিয়ারে বড় আক্ষেপ হয়ে ছিল। এবার নিউইয়র্কে সেই একই মঞ্চে অবশ্য ভুল করেননি। শেলটনের শক্ত প্রতিরোধ সামলে চার সেটে ম্যাচ জিতে ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছেন জভেরেভ।

শিরোপা জয়ের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নিজের দীর্ঘ পথচলার কথা স্মরণ করে জভেরেভ বলেন, ‘কতটা কঠোর পরিশ্রম করেছি, কষ্ট সহ্য করেছি, যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গিয়েছি সবকিছুই সৃষ্টিকর্তা দেখেছেন। আমার মনে হয় ২০২৬ হলো আগের সব বছরের পরিশ্রমের ফল।’

ফাইনালে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ ছিল শীর্ষ বাছাই জভেরেভের হাতে। প্রথম সেটে শেলটনের সার্ভিস ব্রেক করে এগিয়ে যান তিনি। দ্বিতীয় সেটে টাইব্রেকেও দাপট দেখিয়ে ম্যাচে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন জার্মান তারকা।

তৃতীয় সেটে অবশ্য ঘুরে দাঁড়ান শেলটন। বেসলাইন থেকে একের পর এক শক্তিশালী শটে জভেরেভকে চাপে ফেলে সেটটি ৭-৫ ব্যবধানে জিতে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেন তিনি। কিন্তু চতুর্থ সেটে আবারও নিয়ন্ত্রণ নেন জভেরেভ। শুরুতেই ব্রেক আদায় করে সেই সুবিধা শেষ পর্যন্ত ধরে রাখেন এবং নিশ্চিত করেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম।

দর্শকদের সমর্থন যে শেলটনের দিকেই ছিল, সেটিও স্বীকার করেছেন জভেরেভ। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, আজ ৯৯.৯ শতাংশ মানুষই বেনের জয় চেয়েছিল। তাই আমি সত্যিই দুঃখিত। যদিও আমি জানতাম দর্শকেরা আমার বিপক্ষে ছিল, তারা সব সময়ই অবিশ্বাস্যভাবে ন্যায্য আচরণ করেছে। আর খেলোয়াড় হিসেবে আমরা সেটার প্রশংসা করি।’

শিরোপা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেভাগেই। দুবাইয়ে ভারতীয় ক্রিকেটার, ভক্ত-সমর্থকদের সবাই তখন অপেক্ষা করছিলেন, ম্যাচটা কখন শেষ হবে। দীপ্তি শর্মা ইনিংসের শেষ বলে লঙ্কান ব্যাটার কৌশিনি নুথিয়াঙ্গাকে বোল্ড করে সারলেন আনুষ্ঠানিকতা। ভারত অষ্টমবারের মতো জিতল নারী এশিয়া কাপ।

ইমাম-উল-হকের বিরুদ্ধে অভিযোগের যেন শেষ নেই। মিথ্যা চোটের নাটক, ড্রেসিংরুমের তথ্য ফাঁস, শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। এমন ঘটনায় পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটার কঠিন শাস্তি পেতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

রাকিবুল হাসান চার মারতেই উদযাপন শুরু বাংলাদেশের। পচেফস্ট্রুমের সেনওয়েস পার্কে রাকিবুলের বাঁধভাঙা উদযাপনে যোগ দেন শরীফুল ইসলাম, তাওহীদ হৃদয়, তানজিদ হাসান তামিমরা। সুদূর পচেফস্ট্রুম থেকে সেই রেশ ছড়িয়ে পড়ে পুরো বাংলাদেশে। ছয় বছর আগের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের কথা বলা হচ্ছে, সেটা অনেকেই বুঝতে পেরেছে

জনপ্রিয় টার্গেট

ফিরছে বিসিবি-রবি বোলার হান্ট

সৃষ্টিকর্তা দেখেছেন কতটা পরিশ্রম করেছি, ইউএস ওপেন জিতে জভেরেভ

প্রকাশ: ১০:৪১:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২০ সালের ফাইনালে ডমিনিক থিয়েমের বিপক্ষে প্রথম দুই সেট জিতেও শেষ পর্যন্ত হেরে গিয়েছিলেন জভেরেভ। সেই হারের স্মৃতি দীর্ঘদিন তাঁর ক্যারিয়ারে বড় আক্ষেপ হয়ে ছিল। এবার নিউইয়র্কে সেই একই মঞ্চে অবশ্য ভুল করেননি। শেলটনের শক্ত প্রতিরোধ সামলে চার সেটে ম্যাচ জিতে ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছেন জভেরেভ।

শিরোপা জয়ের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নিজের দীর্ঘ পথচলার কথা স্মরণ করে জভেরেভ বলেন, ‘কতটা কঠোর পরিশ্রম করেছি, কষ্ট সহ্য করেছি, যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গিয়েছি সবকিছুই সৃষ্টিকর্তা দেখেছেন। আমার মনে হয় ২০২৬ হলো আগের সব বছরের পরিশ্রমের ফল।’

ফাইনালে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ ছিল শীর্ষ বাছাই জভেরেভের হাতে। প্রথম সেটে শেলটনের সার্ভিস ব্রেক করে এগিয়ে যান তিনি। দ্বিতীয় সেটে টাইব্রেকেও দাপট দেখিয়ে ম্যাচে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন জার্মান তারকা।

তৃতীয় সেটে অবশ্য ঘুরে দাঁড়ান শেলটন। বেসলাইন থেকে একের পর এক শক্তিশালী শটে জভেরেভকে চাপে ফেলে সেটটি ৭-৫ ব্যবধানে জিতে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেন তিনি। কিন্তু চতুর্থ সেটে আবারও নিয়ন্ত্রণ নেন জভেরেভ। শুরুতেই ব্রেক আদায় করে সেই সুবিধা শেষ পর্যন্ত ধরে রাখেন এবং নিশ্চিত করেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম।

দর্শকদের সমর্থন যে শেলটনের দিকেই ছিল, সেটিও স্বীকার করেছেন জভেরেভ। তিনি বলেন, ‘আমি জানি, আজ ৯৯.৯ শতাংশ মানুষই বেনের জয় চেয়েছিল। তাই আমি সত্যিই দুঃখিত। যদিও আমি জানতাম দর্শকেরা আমার বিপক্ষে ছিল, তারা সব সময়ই অবিশ্বাস্যভাবে ন্যায্য আচরণ করেছে। আর খেলোয়াড় হিসেবে আমরা সেটার প্রশংসা করি।’

শিরোপা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেভাগেই। দুবাইয়ে ভারতীয় ক্রিকেটার, ভক্ত-সমর্থকদের সবাই তখন অপেক্ষা করছিলেন, ম্যাচটা কখন শেষ হবে। দীপ্তি শর্মা ইনিংসের শেষ বলে লঙ্কান ব্যাটার কৌশিনি নুথিয়াঙ্গাকে বোল্ড করে সারলেন আনুষ্ঠানিকতা। ভারত অষ্টমবারের মতো জিতল নারী এশিয়া কাপ।

ইমাম-উল-হকের বিরুদ্ধে অভিযোগের যেন শেষ নেই। মিথ্যা চোটের নাটক, ড্রেসিংরুমের তথ্য ফাঁস, শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। এমন ঘটনায় পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটার কঠিন শাস্তি পেতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

রাকিবুল হাসান চার মারতেই উদযাপন শুরু বাংলাদেশের। পচেফস্ট্রুমের সেনওয়েস পার্কে রাকিবুলের বাঁধভাঙা উদযাপনে যোগ দেন শরীফুল ইসলাম, তাওহীদ হৃদয়, তানজিদ হাসান তামিমরা। সুদূর পচেফস্ট্রুম থেকে সেই রেশ ছড়িয়ে পড়ে পুরো বাংলাদেশে। ছয় বছর আগের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের কথা বলা হচ্ছে, সেটা অনেকেই বুঝতে পেরেছে