আলকারাসকে ৬-৭ (৫-৭), ৬-১, ৬-৩, ১-৬, ৭-৬ (১০-৭) গেমে হারান শেলটন। স্থানীয় সময় রাত ৩টা ৩৪ মিনিটে শেষ হওয়া ম্যাচটি ইউএস ওপেনের ইতিহাসে সবচেয়ে দেরিতে শেষ হওয়া ম্যাচ। এর আগে রেকর্ডটি ছিল ২টা ৫০ মিনিটের। ২০২২ সালে ইয়ানিক সিনারের বিপক্ষে শেষ আটে পাঁচ সেটের লড়াইয়ে জিতে সেই রেকর্ড গড়েছিলেন আলকারাসই।
চার মাসের চোট কাটিয়ে এই আসর দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক টেনিসে ফিরেছিলেন আলকারাস। প্রথম চার ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে শিরোপা ধরে রাখার সম্ভাবনাও জাগিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ আটে এসে তাঁর পথ আটকে দিলেন শেলটন। আলকারাসের বিপক্ষে এটিই তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথম জয়।
প্রথম সেটে দুজনের লড়াই ছিল সমানে সমান। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৭-৫ পয়েন্টে সেট জিতে এগিয়ে যান আলকারাস। কিন্তু এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় শেলটনের হাতে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেটে টানা ৯টি গেম জিতে স্প্যানিশ তারকাকে চাপে ফেলে দেন তিনি। দ্বিতীয় সেটে আলকারাসের সার্ভিস তিনবার ভাঙেন মার্কিন খেলোয়াড়। তবে চতুর্থ সেটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান আলকারাস। মাত্র ৩৬ মিনিটে ৬-১ গেমে সেটটি জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান তিনি। পঞ্চম সেটে তাই আবারও শুরু হয় সমানে সমান লড়াই। ২-২ গেমে ব্রেক পয়েন্ট পেয়েছিলেন আলকারাস, ৪-৩ গেমে সুযোগ আসে শেলটনের সামনেও। কেউই তা কাজে লাগাতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত ম্যাচ গড়ায় ১০ পয়েন্টের টাইব্রেকারে। সেখানে ৮-৭ এগিয়ে ম্যাচ পয়েন্টে এসে এস মেরে জয় নিশ্চিত করেন শেলটন। দীর্ঘ লড়াইয়ে শারীরিকভাবেও অস্বস্তিতে পড়েছিলেন আলকারাস। ম্যাচের বিরতিতে তাঁকে তোয়ালে বমি করতেও দেখা যায়।
হারলেও হতাশ নন আলকারাস। বললেন, ‘হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। শেষ পর্যন্ত জিততে না পারায় আমি হতাশ হতে চাই না। আমি যেভাবে লড়াই করেছি, তা নিয়ে গর্বিত। সুস্থ আছি, হাসিমুখে কোর্ট ছাড়ছি— আর এটাই আমার দরকার ছিল।’
সেমিফাইনালে শেলটনের প্রতিপক্ষ স্বদেশি ফ্রান্সেস তিয়াফো। আলেক্স মিশেলসেনকে দুই সেটে পিছিয়ে থেকেও ৫-৭, ৩-৬, ৭-৫, ৬-৩, ৭-৬ (১০-৬) ব্যবধানে হারিয়ে শেষ চারে উঠেছেন তিয়াফো।
ওভালে টস জিতে আগে ব্যাটিং করছে ইংল্যান্ড। মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক জো রুট। এই ম্যাচে পাকিস্তানের নজর এখন নতুন মুখদের দিকে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবশেষ বাংলাদেশ খেলেছে আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে। অস্ট্রেলিয়ার মাঠে ঐতিহাসিক ড্রয়ের পর পেরিয়ে গেছে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময়। তবে সদ্য হালনাগাদ করা র্যাঙ্কিংয়ে দুঃসংবাদ পেয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।
চরম বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া পাকিস্তান ক্রিকেটের পাশে দাঁড়াতে চান না দেশটির কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম। বারবার পাকিস্তান ক্রিকেটকে সাহায্য করার আহ্বান জানালেও কোনো সাড়া দিচ্ছেন না তিনি।
দৈনিক টার্গেট 

























