বার্সার হয়ে জোড়া গোল করেছেন লামিনে ইয়ামাল। একবার করে জালের দেখা পান রাফিনিয়া, ফেরমিন লোপেজ ও পেদ্রি। চলতি মৌসুমে চার ম্যাচের মধ্যে এটি তৃতীয়বার পাঁচ গোল করল বার্সা। সব মিলিয়ে চার ম্যাচে তাদের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭-তে।
শুক্রবার রিয়াল মাদ্রিদ রিয়াল বেতিসের কাছে হেরে যাওয়ায় ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে বার্সা।
দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হলেও আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চান না ফ্লিক। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘আজ দারুণ একটি ম্যাচ খেলেছি, প্রায় নিখুঁত। আমরা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেছি, আধিপত্য বিস্তার করেছি। এটাই আমি চাই—ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করা এবং জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করা। আমরা সেটা করতে পেরেছি। তবে কোনো কিছুই নিখুঁত নয়। সব সময়ই উন্নতির সুযোগ থাকে। আমরা আরও ভালো করতে পারি।’
বার্সার এমন পারফরম্যান্সের পেছনে অনুশীলনের মানকেও বড় কারণ হিসেবে দেখছেন ফ্লিক, ‘অনুশীলনের মানটাই আসল। যখন আমি এটা দেখি, তখন আমাদের কীভাবে খেলতে হবে, সে বিষয়ে আমি আরও নিশ্চিত হই।’
বার্সার আক্রমণভাগও মৌসুমের শুরুতেই নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিচ্ছে। অস্থায়ী স্ট্রাইকার হিসেবে খেলতে থাকা রাফিনিয়া এখন পর্যন্ত ছয় গোল করেছেন। ফেরমিন ও ইয়ামাল করেছেন চারটি করে।
অথচ রবার্ট লেভানডফস্কি, ফেরান তোরেস ও মার্কাস র্যাশফোর্ড চলে যাওয়ার পর গ্রীষ্মে নতুন স্ট্রাইকারের সন্ধানে ছিল বার্সা। শেষ পর্যন্ত গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে দলে নেয় তারা। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের শেষ দিকে বদলি হিসেবে নেমে বার্সার হয়ে অভিষেকও হয়েছে তাঁর।
বর্তমান গোল করার হার অব্যাহত থাকলে দলের নতুন স্ট্রাইকারের প্রয়োজনীয়তা কমবে কি না—এমন প্রশ্নে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন ফ্লিক, ‘এতে আমাদের ভাবনায় কোনো পরিবর্তন আসে না। সাধারণত আমাদের একজন প্রকৃত ৯ নম্বর খেলোয়াড় প্রয়োজন, এটা পরিষ্কার। তবে আক্রমণভাগে আমাদের অনেক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় আছে, মাঝমাঠেও আছে—সবাই গোল করতে পারে।’
ব্যাটারদের ব্যর্থতায় স্কোরটাকে বড় করতে পারেনি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। তবু মারুফা আক্তার-সুলতানা খাতুনদের নৈপুণ্যে ১১৪ রান করেও জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষরক্ষা হয়নি।
জিতলেই যে নিশ্চিত সেমিফাইনাল, আজ দুবাইয়ে বাংলাদেশের সামনে সমীকরণটা এমন ছিল না। শ্রীলঙ্কাকে হারালেও বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হতো পরশু একই ভেন্যুতে হতে যাওয়া নিজেদের শেষ ম্যাচের দিকে। শ্রীলঙ্কার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারালেই নিশ্চিত হতো নিগার সুলতানা জ্যোতির দলের সেমি। কিন্তু শ্রীলঙ্কার নিয়ন্ত্রিত বো
তাওহীদ হৃদয়ের বীরত্বপূর্ণ ৩৫০ রানের ইনিংসে বাংলাদেশ ‘এ’ দল দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচ ড্র করে হইচই ফেলে দিয়েছে। পচেফস্ট্রুমে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে এমন অসাধারণ ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন তিনি। ওয়ানডেতেও নিশ্চয়ই এমন কিছুর স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু বৃষ্টি যে সেটা আর হতে দিল না।
দৈনিক টার্গেট 

























