পুরুষদের পর নারী এশিয়া কাপেও ট্রফি নাটকের শঙ্কা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:২৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পঠিত হয়েছে

জিও সুপারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারী এশিয়া কাপের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন নাকভি। বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে তাঁর। আর ভারত ফাইনালে উঠে শিরোপা জিতলে এই পরিস্থিতিই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন ভারত এবারের টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট। ইতোমধ্যে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা। ভারত ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হলে নাকভির হাত থেকে ট্রফি গ্রহণ করবে কি না, সেটিই হতে পারে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান ম্যাচেও দুই দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত ও সানা মীর করমর্দন করেননি। গত বছর পুরুষদের এশিয়া কাপে ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আগার মধ্যেও একই ঘটনা ঘটেছিল।

পুরুষদের এশিয়া কাপের ফাইনালে কী হয়েছিল

২০২৫ সালের পুরুষ এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপা জেতে ভারত। এরপর ভারতীয় দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার জন্য পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে অপেক্ষা করেছিলেন নাকভি। তবে সূর্যকুমার ও তার সতীর্থরা পিসিবি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানান। ভারতীয় দল এসিসির অন্য কোনো কর্মকর্তার কাছ থেকে ট্রফি নিতে চেয়েছিল।

পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ নাকভি শেষ পর্যন্ত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান থেকে সরে যান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রফিটি এসিসির দুবাই কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। এখনো সেটি ভারতীয় দলের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে বিসিসিআই নাকভি ও এসিসির অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করলেও কোনো সমাধান হয়নি।

এবার নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে নাকভির উপস্থিতি তাই পুরোনো সেই বিতর্ককে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। ভারত ফাইনালে উঠে শিরোপা জিতলে ট্রফি গ্রহণের মুহূর্তে কী ঘটে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

নারী এশিয়া কাপের শুরুটা দারুণ হয়েছিল পাকিস্তানের। প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৫ রানে হারিয়েছিল ফাতিমা সানারা। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাত্র ৫৫ রানে অলআউট হয়ে ৭ উইকেটে হেরেছে দলটি। দুই ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ দুই পয়েন্ট। সেমিফাইনালে যেতে হলে আজ হংকংয়ের বিপক্ষে ন্যূনতম হার এড়ালেই চলবে পাকি

ব্যাটারদের ব্যর্থতায় স্কোরটাকে বড় করতে পারেনি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। তবু মারুফা আক্তার-সুলতানা খাতুনদের নৈপুণ্যে ১১৪ রান করেও জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষরক্ষা হয়নি।

জনপ্রিয় টার্গেট

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি স্থগিত

পুরুষদের পর নারী এশিয়া কাপেও ট্রফি নাটকের শঙ্কা

প্রকাশ: ১২:২৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জিও সুপারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারী এশিয়া কাপের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন নাকভি। বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে তাঁর। আর ভারত ফাইনালে উঠে শিরোপা জিতলে এই পরিস্থিতিই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন ভারত এবারের টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট। ইতোমধ্যে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা। ভারত ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হলে নাকভির হাত থেকে ট্রফি গ্রহণ করবে কি না, সেটিই হতে পারে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান ম্যাচেও দুই দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত ও সানা মীর করমর্দন করেননি। গত বছর পুরুষদের এশিয়া কাপে ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আগার মধ্যেও একই ঘটনা ঘটেছিল।

পুরুষদের এশিয়া কাপের ফাইনালে কী হয়েছিল

২০২৫ সালের পুরুষ এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপা জেতে ভারত। এরপর ভারতীয় দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার জন্য পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে অপেক্ষা করেছিলেন নাকভি। তবে সূর্যকুমার ও তার সতীর্থরা পিসিবি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানান। ভারতীয় দল এসিসির অন্য কোনো কর্মকর্তার কাছ থেকে ট্রফি নিতে চেয়েছিল।

পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ নাকভি শেষ পর্যন্ত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান থেকে সরে যান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রফিটি এসিসির দুবাই কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। এখনো সেটি ভারতীয় দলের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে বিসিসিআই নাকভি ও এসিসির অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করলেও কোনো সমাধান হয়নি।

এবার নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে নাকভির উপস্থিতি তাই পুরোনো সেই বিতর্ককে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। ভারত ফাইনালে উঠে শিরোপা জিতলে ট্রফি গ্রহণের মুহূর্তে কী ঘটে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

নারী এশিয়া কাপের শুরুটা দারুণ হয়েছিল পাকিস্তানের। প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৫ রানে হারিয়েছিল ফাতিমা সানারা। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাত্র ৫৫ রানে অলআউট হয়ে ৭ উইকেটে হেরেছে দলটি। দুই ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ দুই পয়েন্ট। সেমিফাইনালে যেতে হলে আজ হংকংয়ের বিপক্ষে ন্যূনতম হার এড়ালেই চলবে পাকি

ব্যাটারদের ব্যর্থতায় স্কোরটাকে বড় করতে পারেনি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। তবু মারুফা আক্তার-সুলতানা খাতুনদের নৈপুণ্যে ১১৪ রান করেও জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষরক্ষা হয়নি।