বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্টের তিন ইনিংসে লাবুশেনের রান ছিল ১, ৩১ ও ৪। এমন পারফরম্যান্সের পর ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে অস্ট্রেলিয়ার হারের পর তাঁর টেস্ট দলে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের রদবদলের পথে না গিয়ে লাবুশেনকে রেখেই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের দল দিয়েছে সিএ।
সবশেষ তিন বছর আগে টেস্টে সেঞ্চুরি করেছিলেন লাবুশেন; ম্যানচেস্টারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। দীর্ঘ সময় ধরে বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও নিজেদের টেস্টের পরিকল্পনায় এখনো আছেন তিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে অস্ট্রেলিয়া তিনটি টেস্ট খেলবে। ৯ অক্টোবর ডারবানের কিংসমিডে শুরু হবে সিরিজের প্রথম ম্যাচ। দ্বিতীয় টেস্ট ১৮ অক্টোবর গকেবেরহার সেন্ট জর্জ’স পার্কে। ২৭ অক্টোবর কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে হবে সিরিজের শেষ টেস্ট।
লাবুশেনের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে জায়গা ধরে রেখেছেন ম্যাথু রেনশও। ট্রাভিস হেডের সঙ্গে ওপেনিং করবেন তিনি। আগের শেফিল্ড শিল্ড মৌসুমে ১০ ইনিংসে তিনটি সেঞ্চুরি করার পর বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে সুযোগ পেয়েছিলেন রেনশ। তবে ম্যাকাইতে নিজের একমাত্র ইনিংসে ৮ রান করে আউট হন।
২০১৮ সালের আলোচিত বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির পর এবারই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। ওই সফরের দলের পাঁচ ক্রিকেটার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড, স্টিভ স্মিথ ও ম্যাথিউ রেনশ এবারও দলে আছেন।
অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দল: প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), স্কট বোলান্ড, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাথু কুনেমান, মার্নাস লাবুশেন, নাথান লায়ন, মাইকেল নেসার, ম্যাথিউ রেনশ, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, বিউ ওয়েবস্টার।
নারী এশিয়া কাপের শুরুটা দারুণ হয়েছিল পাকিস্তানের। প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৫ রানে হারিয়েছিল ফাতিমা সানারা। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাত্র ৫৫ রানে অলআউট হয়ে ৭ উইকেটে হেরেছে দলটি। দুই ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ দুই পয়েন্ট। সেমিফাইনালে যেতে হলে আজ হংকংয়ের বিপক্ষে ন্যূনতম হার এড়ালেই চলবে পাকি
ব্যাটারদের ব্যর্থতায় স্কোরটাকে বড় করতে পারেনি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। তবু মারুফা আক্তার-সুলতানা খাতুনদের নৈপুণ্যে ১১৪ রান করেও জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষরক্ষা হয়নি।
জিতলেই যে নিশ্চিত সেমিফাইনাল, আজ দুবাইয়ে বাংলাদেশের সামনে সমীকরণটা এমন ছিল না। শ্রীলঙ্কাকে হারালেও বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হতো পরশু একই ভেন্যুতে হতে যাওয়া নিজেদের শেষ ম্যাচের দিকে। শ্রীলঙ্কার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারালেই নিশ্চিত হতো নিগার সুলতানা জ্যোতির দলের সেমি। কিন্তু শ্রীলঙ্কার নিয়ন্ত্রিত বো
দৈনিক টার্গেট 

























