সামাজিকমাধ্যমে গত রাতে আবেগঘন এক বার্তায় ৩৫ বছরেই বুটজোড়া তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সদ্য সাবেক এই স্প্যানিশ তারকা নিজের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক বিবৃতিতে লিখেছেন, ‘আজ আমার জীবনের একটি অধ্যায়কে বিদায় জানানোর সময় এসেছে। এতগুলো বছর, এতগুলো ম্যাচ, এতগুলো ড্রেসিংরুম, অসংখ্য আনন্দের মুহূর্ত এবং কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে।’
২০১০ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত ফুটবল ক্যারিয়ারে ৫১২ ফুটবল ম্যাচ খেলেছেন তেলো। বার্সার হয়ে একটি করে লা লিগা, কোপা দেল রে, স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছেন তিনি। রিয়াল বেতিসের জার্সিতে কোপা দেল রে এবং লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির হয়ে এমএলএস কাপ, সাপোর্টার্স শিল্ডে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। স্পেন অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে জিতেছেন ইউরোও।
ক্যারিয়ারে যা অর্জন করেছেন, তা এক সময় তেলোর কাছে মনে হতো অসম্ভব। গত রাতে আবেগঘন বার্তায় বিদায়ের ঘোষণা দিতে গিয়ে ৩৫ বছর বয়সী স্প্যানিশ বলেন, ‘ফুটবল আমাকে সবকিছু দিয়েছে। এটি আমাকে এমন কিছু স্বপ্ন পূরণ করার সুযোগ দিয়েছে, যেগুলো একসময় অসম্ভব বলে মনে হতো। এমন অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে, যাদের আমি সারাজীবন মনে রাখব। আর এমন অসংখ্য মুহূর্ত উপহার দিয়েছে, যা আজীবন আমার স্মৃতিতে থেকে যাবে।’
১৬ বছরের ফুটবল ক্যারিয়ারে ৫১২ ম্যাচ খেলেছেন তেলো। এসপানিওল, বার্সেলোনা, পোর্তো, ফিওরেন্তিনা, রিয়াল বেতিস, লস অ্যাঞ্জেলেস এফসি, সৌদি আরবের আল ফাতেহ, আল ওরোবাহ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাম সিটি—সব মিলিয়ে ক্লাব ক্যারিয়ারে ৪৯৪ ম্যাচ খেলেছেন। স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে এক ম্যাচের পাশাপাশি দেশটির বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তায় ৩৫ বছর বয়সী স্প্যানিশ ফুটবলার বলেন, ‘আমি সৌভাগ্যবান যে এমন কিছু দলের জার্সি পরার সুযোগ পেয়েছি। যেগুলো আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। একই সঙ্গে সতীর্থ, কোচ, ক্লাবের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বন্ধু এবং সর্বোপরি আমার পরিবারের সঙ্গে এই পথচলা ভাগ করে নিতে পেরেছি।’
যে মেসির সঙ্গে তেলো বার্সেলোনার হয়ে ৬ বছর খেলেছেন, সেই মেসি গত ৩১ আগস্ট আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ২০২১ সালে মেসি বার্সা পর্ব শেষ করে চলে যান প্যারিস সেইন্ট জার্মেইতে (পিএসজি)। ২০২৩ সালে পিএসজি ছেড়ে ইন্টার মায়ামিতে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটির হয়ে নিয়মিত খেলছেন।
সুখস্মৃতির বদলে কিছু জয় পরবর্তী পথ বদলে দেয়। পাকিস্তান ক্রিকেটের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ ইউসুফের মতে, ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ১০ উইকেটের সেই ঐতিহাসিক জয়ও পাকিস্তানের জন্য তেমনই এক ঘটনা।
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় বাংলাদেশ নারী দলের ক্রিকেটারদের চেহারায় ছিল রাজ্যের হতাশা। মুখাবয়বে খুশি বা আনন্দের ঝলক থাকারও তো উপায় নেই। নারী এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে যে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দারুণ সুযোগ তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত হারতে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দলকে।
আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) চেয়ারম্যান ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভির। তাতেই মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে নতুন করে ট্রফি নাটকের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দৈনিক টার্গেট 
























