বে টার্মিনাল চালু হলে বাংলাদেশের শিপিং খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন হাইকমিশনার। ডেরেক লো বলেন, প্রকল্পটি চালু হলে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের শ্রমিকদের সামগ্রিক কল্যাণেও। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দেন।
এ ছাড়া সাইবার স্পেসের নিরাপত্তা, ডিজিটাল জালিয়াতি ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে বাংলাদেশ পুলিশের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা চান সালাহউদ্দিন আহমদ।
বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে নতুন পুলিশ সাইবার ইউনিট গঠনের প্রক্রিয়া চলছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও যৌথ সাইবার তদন্তে সহায়তার ইতিবাচক আশ্বাস দেয় সিঙ্গাপুরের প্রতিনিধি দল।
বৈঠকে সিঙ্গাপুর কো-অপারেশন প্রোগ্রামের (এসসিপি) আওতায় বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা ও তরুণ সংসদ সদস্যদের সিঙ্গাপুরে অভিজ্ঞতা বিনিময় সফর এবং বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করেন হাইকমিশনার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান। এ সময় হাইকমিশনার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে সিঙ্গাপুর সফরের আমন্ত্রণ জানান। সাক্ষাৎকালে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ফিলিপ ওং, পিএসএ ইন্টারন্যাশনালের আঞ্চলিক প্রধান ওং জি পিং, এন্টারপ্রাইজ সিঙ্গাপুরের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক প্রতিনিধি বেঞ্জামিন চু, সিঙ্গাপুর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেস্ক অফিসার মৃথিনী ত্যাগরাজন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দৈনিক টার্গেট 




























