এ মামলায় গত ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। সেদিন আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চায় প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ)। পরে এ মামলার পলাতক সাত আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।
এ মামলায় অন্য ছয় আসামি হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। এ মামলার সব আসামি শুরু থেকেই পলাতক।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর এই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে পলাতক থাকা ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে গত ২২ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিচারকাজ। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র নিহত শরিফ ওসমান বিন হাদি, তদন্ত কর্মকর্তাসহ এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ২৯ জন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ৪ আগস্ট শুরু হয় প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন।
প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম সাংবাদিকদের বলেন, বেশ কিছু কলরেকর্ড, ডকুমেন্টারি এভিডেন্স, জাতিসংঘের প্রতিবেদনসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই সাতজনের বিরুদ্ধে মূলত অভিযোগ ছিল—হত্যার নির্দেশ, উসকানি ও ষড়যন্ত্র। বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ডেকে আন্দোলনকারীদের ওপর যেন আওয়ামী লীগের সশস্ত্র নেতা-কর্মীরা হামলা করে, তাঁদের হত্যা করে, সে জন্য নির্দেশনা দিতেন, পরামর্শ দিতেন, উসকানি দিতেন। তিনি বলেন, প্রসিকিউশন প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধেই আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করে প্রসিকিউশন।
গ্যাস-সংকট এবং লোডশেডিং বাড়ায় বিকল্প হিসেবে জ্বালানি তেলের ওপর চাপ বেড়েছে। জ্বালানি তেলের চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অন্তত ৩০ শতাংশ বেড়েছে। ডিজেল ও অকটেনের বিক্রি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৮ শতাংশের বেশি এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের বিক্রি বেড়েছে প্রায় তিন গুণ।
আগের দুটি মাস্টারপ্ল্যান বা মহাপরিকল্পনার লক্ষ্য অধরা থেকে গেলেও নতুন ৩৫ বছর মেয়াদি তৃতীয় মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২০২৬ থেকে ২০৬০ সাল পর্যন্ত মেয়াদের এই পরিকল্পনায় রয়েছে ৩২০টি প্রকল্প।
দৈনিক টার্গেট 

























