প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ আজ শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।
২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। ওই ঘটনায় করা মামলায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল রায় দেন। রায়ে বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
বিচারিক আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) পাঠানো হয় হাইকোর্টে। জেল আপিল ও আপিল করেন আসামিরা। শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় সাতজনকে। বিচার চলাকালে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত দুই আসামি কারাগারে মারা যাওয়ায় তাঁদের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে বলে গণ্য করা হয়।
হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে আপিল করেন আসামিরা। আপিল বিভাগে আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ঘটনাস্থলে প্রবেশ করে এবং অবস্থান করে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্য ছিল তার। এ সময় তাঁর সঙ্গে আরও সহযোগী ছিল। তাঁরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভোট উপজেলাভিত্তিক হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এ ক্ষেত্রে একটি উপজেলার সব ইউনিয়নে একই সঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সব ধরনের সহযোগিতা করতে আগ্রহী। কারণ, নিজ দেশে ফিরে গেলে রোহিঙ্গাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
দৈনিক টার্গেট 























