আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮৯৭ জন মারা গেছে আর হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১০০ জন।
একই সময়ে ৬০ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ১৯ হাজার ৭৫৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত পরিসংখ্যানে মৃত ব্যক্তিদের বয়সভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায় না। রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়।
এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪০৩ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরে রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৫৫ জন। এ ছাড়া বরিশালে ৫৬, চট্টগ্রামে ৬৫, খুলনায় ৩৭, ময়মনসিংহে ৭৫, রাজশাহীতে ৯২ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
একসময় ‘রাজাদের রোগ’ হিসেবে পরিচিত গাউট বা গেঁটেবাত এখন আধুনিক যুগে আবারও ব্যাপকভাবে ফিরে আসছে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রদাহজনিত আর্থ্রাইটিসের সবচেয়ে সাধারণ ধরণ হলো গেঁটেবাত। আর এই রোগের প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে, এমনকি তরুণদের মধ্যেও।
দুই মাস ধরে দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর বাইরে এবার বিভিন্ন জেলাতেও ডেঙ্গু আক্রান্তের হার অনেক বেশি। এর মধ্যে খুলনা, পিরোজপুর, বরিশাল, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, কক্সবাজার ও নারায়ণগঞ্জ— এই ৯ জেলায় প্রায় ১৫ হাজার…
চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত ১১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আগস্টেই মারা গেছে ৪৩ জন। এ ছাড়া জানুয়ারিতে দুই, ফেব্রুয়ারিতে দুই, মে মাসে এক, জুনে ১৩ ও জুলাইয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ২০ জন।
দৈনিক টার্গেট 

























