স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২৪ সালে ভারী বর্ষণে সাঙ্গু নদীর উজানে পাহাড়ধস ও তীব্র ভাঙন দেখা দেয়। এতে নদীর বিভিন্ন স্থানে গতিপথ পরিবর্তন হয়ে তৈরি হয় ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও গভীর খাদ। তুরুগু স্বং এলাকায় পাহাড়ধসে নদীতে পড়ে থাকা বড় বড় পাথর এখন নৌযান চলাচলের অন্যতম প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রবল স্রোতে পাথরের স্তূপের পাশ দিয়ে প্রতিদিন ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলাচল করছে। নেই কোনো স্থায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থা অথবা ঝুঁকিপূর্ণ অংশ চিহ্নিত করার ব্যবস্থা। স্রোতের টানে একটু নিয়ন্ত্রণ হারালেই নৌকা পাথরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ইঞ্জিনচালিত নৌকার চালক মংমংসে মারমা ও ওয়াইন মংসিং মারমা বলেন, ‘বর্ষায় তীব্র স্রোতের কারণে তুরুগু স্বং এলাকা পার হওয়া খুবই কঠিন। শুষ্ক মৌসুমেও নদীর তলদেশে থাকা বড় পাথরের কারণে ঝুঁকি থাকে। স্রোতের টানে নৌকা নিয়ন্ত্রণ হারালে মুহূর্তেই পাথরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মংমে মারমা, জিনিঅং মারমা ও চসিংমং মারমা বলেন, স্রোত কমলেও তুরুগু স্বংয়ের বিপদ কমেনি। নদীর বুকজুড়ে থাকা বিশাল পাথরের কারণে নৌ চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে নদীর গতিপথও পরিবর্তন হয়েছে। পাথরগুলো অপসারণ করা গেলে পুরোনো নৌপথ ফিরে আনা সম্ভব। তাঁরা দ্রুত নৌপথ সংস্কার ও পাথর অপসারণের দাবি জানান।
রেমাক্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা (রনি) বলেন, ‘তুরুগু স্বংয়ে কয়েকটি বিশাল পাথর পড়ে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। এতে নৌযান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিষয়টি পার্বত্য মন্ত্রীর কাছে জানিয়ে সংস্কারের আবেদন করা হয়েছে।’
বিজিবির বান্দরবান জোনের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুহাম্মদ রুবায়াত জামিল বলেন, ‘২০২৪ সালে বড়মদক এলাকায় সাঙ্গু নদীর ভাঙনে গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সম্প্রতি ওই এলাকায় টহল দলের একটি নৌকাও ডুবে যায়। খরস্রোতে তলিয়ে যাওয়া অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধারে চার দিন সময় লেগেছে।’
রুবায়াত জামিল বলেন, ১৭ ইসিবিসহ যৌথভাবে তুরুগু স্বংয়ের বড় পাথরগুলো অপসারণ করে নৌযান চলাচলের স্বাভাবিক পথ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। জানুয়ারিতে নদীর পানি কমলে এ কার্যক্রম শুরু হবে।
মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় পাচারকাজে ব্যবহৃত ২টি বোটসহ জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন মো. শাহদাত হোসেন (৪০), মো. ফোরকান (৪৭), মো. হারুন অর রশিদ বাবুল (৪২), মো. আরিফ (২৫) ও জামসেদ (৩২)।
কোনো আধুনিক স্কুল নয়। নেই আধুনিক ভবন, ক্লাসরুম কোনো কিছুই। তবুও রেলওয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত প্ল্যাটফর্মে মাদুর বিছিয়ে পাঠশালার জন্য অপেক্ষা শিশুদের। কখন আসবে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বন্ধু ইমরান হোসেন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে রেলওয়ে স্টেশনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠদানের পাশাপাশি বইখাতা, জামাকাপড় উপহার দিয়ে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদক সেবনের অপরাধে সাতজনকে আটক করেছে থানা-পুলিশ। আজ শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। পরে তাঁদের সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দৈনিক টার্গেট 





















