কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:৩০:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

গ্রেপ্তার আবু মোকারম চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানার উত্তর বরকল এলাকার আবু তালেবের ছেলে। তিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশে একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।

এসআরবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০০৯ সালে চন্দনাইশ থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় আবু মোকারমকে ২০১৩ সালের ১৯ মে মৃত্যুদণ্ড দেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত। ওই বছরের ৯ জুলাই থেকে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে ৬ আগস্ট সকালে কারাবন্দীরা সংঘবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও অগ্নিসংযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁরা কারারক্ষীদের জিম্মি করে বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙে তৈরি মই দিয়ে কারাগারের সীমানাপ্রাচীর টপকে পালিয়ে যান। পালিয়ে যাওয়া বন্দীদের মধ্যে আবু মোকারমও ছিলেন। এ ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় মামলা করে।

কারাগার থেকে পালানোর পর আবু মোকারম গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে পরিচয় গোপন রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে এসআরবি-১১-এর গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবির প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, পারিবারিক শত্রুতার জেরে আবু মোকারমসহ অন্য আসামিরা তাঁর বোনের চাচি-শাশুড়িকে হত্যা করে বাড়ির পাশের ধানখেতে ফেলে রাখেন। এ ঘটনায় চন্দনাইশ থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় আবু মোকারম ছিলেন এক নম্বর আসামি। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

গ্রেপ্তার আবু মোকারমের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

মিরপুরে হামলায় আহত কনস্টেবলকে দেখতে হাসপাতালে ডিএমপি কমিশনার

মিরপুরে হামলায় আহত কনস্টেবলকে দেখতে হাসপাতালে ডিএমপি কমিশনার

আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। সেসময় কনস্টেবল মো. শায়নুনকে একা পেয়ে তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

তাহসিফ হত্যা মামলা: সেই তরুণীকে আবার রিমান্ডে নিতে আবেদন

তাহসিফ হত্যা মামলা: সেই তরুণীকে আবার রিমান্ডে নিতে আবেদন

ঘটনার দিন তাহসিফের সঙ্গে মেয়েটি উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরে রুআপ কমপ্লেক্সে সিপি ফাইভ স্টার নামক ফাস্ট ফুডে স্যাক্স খেয়েছেন। এসময় তাদের মধ্যে আবেগপ্রবণ কথাবার্তা বা বাক-বিতন্ডা হয়েছিল কিনা তার তথ্য জানা।

অক্টোবরে ঢাকায় ১১ হাজার ৭৫৩ মামলা নিষ্পত্তি, কারাদণ্ড ৮২৩৫ জনের

অক্টোবরে ঢাকায় ১১ হাজার ৭৫৩ মামলা নিষ্পত্তি, কারাদণ্ড ৮২৩৫ জনের

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতের মাধ্যমে ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে ৬ হাজার ৭১৪টি ফৌজদারি ও ৫ হাজার ৩৯টি ট্রাফিক মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এসব মামলায় ৮ হাজার ২৩৫ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে ৩৫ লাখ ৯১ হাজার ৪৫০

জনপ্রিয় টার্গেট

কমলাপুরে তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত ব্যক্তির মৃত্যু

কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৪:৩০:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

গ্রেপ্তার আবু মোকারম চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানার উত্তর বরকল এলাকার আবু তালেবের ছেলে। তিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশে একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।

এসআরবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০০৯ সালে চন্দনাইশ থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় আবু মোকারমকে ২০১৩ সালের ১৯ মে মৃত্যুদণ্ড দেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত। ওই বছরের ৯ জুলাই থেকে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে ৬ আগস্ট সকালে কারাবন্দীরা সংঘবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও অগ্নিসংযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁরা কারারক্ষীদের জিম্মি করে বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙে তৈরি মই দিয়ে কারাগারের সীমানাপ্রাচীর টপকে পালিয়ে যান। পালিয়ে যাওয়া বন্দীদের মধ্যে আবু মোকারমও ছিলেন। এ ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় মামলা করে।

কারাগার থেকে পালানোর পর আবু মোকারম গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে পরিচয় গোপন রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে এসআরবি-১১-এর গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবির প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, পারিবারিক শত্রুতার জেরে আবু মোকারমসহ অন্য আসামিরা তাঁর বোনের চাচি-শাশুড়িকে হত্যা করে বাড়ির পাশের ধানখেতে ফেলে রাখেন। এ ঘটনায় চন্দনাইশ থানায় মামলা হয়। ওই মামলায় আবু মোকারম ছিলেন এক নম্বর আসামি। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

গ্রেপ্তার আবু মোকারমের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

মিরপুরে হামলায় আহত কনস্টেবলকে দেখতে হাসপাতালে ডিএমপি কমিশনার

মিরপুরে হামলায় আহত কনস্টেবলকে দেখতে হাসপাতালে ডিএমপি কমিশনার

আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। সেসময় কনস্টেবল মো. শায়নুনকে একা পেয়ে তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

তাহসিফ হত্যা মামলা: সেই তরুণীকে আবার রিমান্ডে নিতে আবেদন

তাহসিফ হত্যা মামলা: সেই তরুণীকে আবার রিমান্ডে নিতে আবেদন

ঘটনার দিন তাহসিফের সঙ্গে মেয়েটি উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরে রুআপ কমপ্লেক্সে সিপি ফাইভ স্টার নামক ফাস্ট ফুডে স্যাক্স খেয়েছেন। এসময় তাদের মধ্যে আবেগপ্রবণ কথাবার্তা বা বাক-বিতন্ডা হয়েছিল কিনা তার তথ্য জানা।

অক্টোবরে ঢাকায় ১১ হাজার ৭৫৩ মামলা নিষ্পত্তি, কারাদণ্ড ৮২৩৫ জনের

অক্টোবরে ঢাকায় ১১ হাজার ৭৫৩ মামলা নিষ্পত্তি, কারাদণ্ড ৮২৩৫ জনের

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতের মাধ্যমে ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে ৬ হাজার ৭১৪টি ফৌজদারি ও ৫ হাজার ৩৯টি ট্রাফিক মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এসব মামলায় ৮ হাজার ২৩৫ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে ৩৫ লাখ ৯১ হাজার ৪৫০