০৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশকে কত রানের লক্ষ্য দেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:৫৮:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

তাওহীদ হৃদয়ের ২৪২ রানের অতিমানবীয় ইনিংসে গতকাল ৩০ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়মিত চিত্র হলেও স্বাগতিকেরা এবার দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছে। তবে ব্যাটাররা সফল হলেও আজ চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের বোলাররা বলতে গেলে কিছুই করতে পারেননি। মাত্র ৩ উইকেট হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্কোরবোর্ডে জমা করেছে ৩৪৫ রান। সফরকারীরা পেয়েছে ৩১৫ রানের লিড।

দ্রুতই আরেক ওপেনারকে হারাতে বসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৬তম ওভারের প্রথম বলে তাইজুলকে সজোরে কাভার ড্রাইভ করেন কিং। তবে বল এত দ্রুত এসেছে যে তাওহীদ হৃদয় বল তালুবন্দী করার সময়ই পাননি। এরপর তিন নম্বরে নামা কাভেম হজ বেঁচে যান রিভিউ নিয়ে। ২৬তম ওভারের পঞ্চম বলে মিরাজকে ডিফেন্ড করতে গিয়ে হজ বল তুলে দেন হাওয়ায়। ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডার ক্যাচ ধরার পর আম্পায়ার দ্রুত আঙুল তুলে দেন। তবে হজ রিভিউ নিলে দেখা যায় যে বল তাঁর ব্যাট কিংবা গ্লাভসে স্পর্শ না করে শুধুই প্যাডে লেগেছে।

হজ যখন বেঁচে যান, তখন তাঁর রান ১৬। যদিও সে যাত্রায় এলবিডব্লু যাচাই করা হয়নি। তবে দ্বিতীয় উইকেটে হজ-কিংয়ের জুটিতে কেবল ৩৪ রান এসেছে। ৩১তম ওভারের প্রথম বলে কিংকে ফেরান মিরাজ। কিংয়ের ব্যাটের কানায় লাগা বল ক্ষিপ্রতার সঙ্গে প্রথম স্লিপে তালুবন্দী করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

৮৪ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় ৬১ রান করেন কিং। তিনি যখন বিদায় নেন, তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর ৩০.৫ ওভারে ২ উইকেটে ১১৯ রান। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে এই রানের সঙ্গে ৯ রান যোগ করে সফরকারীরা। এমনকি চা পানের বিরতির আগেও আর কোনো উইকেট হারায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

আরও বড় কর, আরও বড় কর—হৃদয়কে বলেছিলেন মুশফিক

আরও বড় কর, আরও বড় কর—হৃদয়কে বলেছিলেন মুশফিক

জোমেল ওয়ারিক্যানকে লং অনে ঠেলে তাওহীদ হৃদয় যেন উড়তেই চাইলেন। ডাবল সেঞ্চুরির পর হৃদয়ের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। শূন্যে হাত ছুড়ে মুষ্টিবদ্ধ উদযাপন করেন তিনি। সিলেট স্টেডিয়ামের ডাগআউট, গ্যালারি থেকে ভেসে আসতে থাকে মুহুর্মুহু করতালির শব্দ। যেখানে নিজ এলাকা বগুড়ার ছোট ভাই ২০০ করার পর মুশফিকুর রহিমও হয়ে পড়

মিরাজ-তাইজুলের জোড়া আঘাতের পরও স্বস্তিতে নেই বাংলাদেশ

মিরাজ-তাইজুলের জোড়া আঘাতের পরও স্বস্তিতে নেই বাংলাদেশ

সিলেটের উইকেট মিরপুরের মতো স্পিনবান্ধব নয়। তবে তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজরা দেখাচ্ছেন তাঁদের স্পিন ভেলকি। হাত খুলে না খেলে বরং রক্ষণাত্মক ক্রিকেট খেলছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটাররা। সেই সুযোগটাই দারুণভাবে কাজে লাগাচ্ছেন বাংলাদেশের স্পিনাররা।

জনপ্রিয় টার্গেট

খুলনায় পিস্তল-গুলিসহ ‘নূর আজিম বাহিনীর’ ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

বাংলাদেশকে কত রানের লক্ষ্য দেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

প্রকাশ: ০৪:৫৮:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

তাওহীদ হৃদয়ের ২৪২ রানের অতিমানবীয় ইনিংসে গতকাল ৩০ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়মিত চিত্র হলেও স্বাগতিকেরা এবার দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছে। তবে ব্যাটাররা সফল হলেও আজ চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের বোলাররা বলতে গেলে কিছুই করতে পারেননি। মাত্র ৩ উইকেট হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্কোরবোর্ডে জমা করেছে ৩৪৫ রান। সফরকারীরা পেয়েছে ৩১৫ রানের লিড।

দ্রুতই আরেক ওপেনারকে হারাতে বসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৬তম ওভারের প্রথম বলে তাইজুলকে সজোরে কাভার ড্রাইভ করেন কিং। তবে বল এত দ্রুত এসেছে যে তাওহীদ হৃদয় বল তালুবন্দী করার সময়ই পাননি। এরপর তিন নম্বরে নামা কাভেম হজ বেঁচে যান রিভিউ নিয়ে। ২৬তম ওভারের পঞ্চম বলে মিরাজকে ডিফেন্ড করতে গিয়ে হজ বল তুলে দেন হাওয়ায়। ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডার ক্যাচ ধরার পর আম্পায়ার দ্রুত আঙুল তুলে দেন। তবে হজ রিভিউ নিলে দেখা যায় যে বল তাঁর ব্যাট কিংবা গ্লাভসে স্পর্শ না করে শুধুই প্যাডে লেগেছে।

হজ যখন বেঁচে যান, তখন তাঁর রান ১৬। যদিও সে যাত্রায় এলবিডব্লু যাচাই করা হয়নি। তবে দ্বিতীয় উইকেটে হজ-কিংয়ের জুটিতে কেবল ৩৪ রান এসেছে। ৩১তম ওভারের প্রথম বলে কিংকে ফেরান মিরাজ। কিংয়ের ব্যাটের কানায় লাগা বল ক্ষিপ্রতার সঙ্গে প্রথম স্লিপে তালুবন্দী করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

৮৪ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় ৬১ রান করেন কিং। তিনি যখন বিদায় নেন, তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর ৩০.৫ ওভারে ২ উইকেটে ১১৯ রান। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে এই রানের সঙ্গে ৯ রান যোগ করে সফরকারীরা। এমনকি চা পানের বিরতির আগেও আর কোনো উইকেট হারায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

আরও বড় কর, আরও বড় কর—হৃদয়কে বলেছিলেন মুশফিক

আরও বড় কর, আরও বড় কর—হৃদয়কে বলেছিলেন মুশফিক

জোমেল ওয়ারিক্যানকে লং অনে ঠেলে তাওহীদ হৃদয় যেন উড়তেই চাইলেন। ডাবল সেঞ্চুরির পর হৃদয়ের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। শূন্যে হাত ছুড়ে মুষ্টিবদ্ধ উদযাপন করেন তিনি। সিলেট স্টেডিয়ামের ডাগআউট, গ্যালারি থেকে ভেসে আসতে থাকে মুহুর্মুহু করতালির শব্দ। যেখানে নিজ এলাকা বগুড়ার ছোট ভাই ২০০ করার পর মুশফিকুর রহিমও হয়ে পড়

মিরাজ-তাইজুলের জোড়া আঘাতের পরও স্বস্তিতে নেই বাংলাদেশ

মিরাজ-তাইজুলের জোড়া আঘাতের পরও স্বস্তিতে নেই বাংলাদেশ

সিলেটের উইকেট মিরপুরের মতো স্পিনবান্ধব নয়। তবে তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজরা দেখাচ্ছেন তাঁদের স্পিন ভেলকি। হাত খুলে না খেলে বরং রক্ষণাত্মক ক্রিকেট খেলছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটাররা। সেই সুযোগটাই দারুণভাবে কাজে লাগাচ্ছেন বাংলাদেশের স্পিনাররা।