গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে এমবাপ্পে

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৪৪ বার পঠিত হয়েছে

বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়েছেন ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি শুধু দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানই রাখেননি, একই সঙ্গে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায়ও উঠে এসেছেন সবার ওপরে।

ম্যাচটি অনেকের কাছে তুলনামূলক কম গুরুত্বের হলেও এমবাপ্পের জন্য এটি ছিল ব্যক্তিগত অর্জনের বড় একটি সুযোগ। শুরু থেকেই তাকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায়। দলীয় আক্রমণে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি গোল করার সুযোগ তৈরি করতেও ছিলেন বেশ সক্রিয়। প্রথমার্ধে কয়েকটি প্রচেষ্টা থাকলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাননি তিনি।

বিরতির পরই বদলে যায় দৃশ্যপট। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সতীর্থ মাইকেল ওলিসের নিখুঁত পাস থেকে একক প্রচেষ্টায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করে নিজের প্রথম গোলটি করেন এমবাপ্পে। সেই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা পৌঁছে যায় ৯-এ এবং গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিনি শীর্ষস্থান দখল করেন।

এরপর ম্যাচের এক ঘণ্টা পূর্ণ হওয়ার আগেই আবারও প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেদ করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। দ্বিতীয় গোলের মাধ্যমে টুর্নামেন্টে তার মোট গোল দাঁড়ায় ১০টি, যা তাকে অন্য সব প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে এগিয়ে দেয়।

এদিকে এই পারফরম্যান্সের ফলে লিওনেল মেসির চেয়ে দুই গোলের ব্যবধানে এগিয়ে গেলেন এমবাপ্পে। যদিও স্পেনের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ রয়েছে মেসির, ফলে শেষ পর্যন্ত গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে পরিবর্তনের সম্ভাবনা এখনও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।

শুধু চলতি আসরেই নয়, বিশ্বকাপের সামগ্রিক ইতিহাসেও নতুন এক মাইলফলক গড়েছেন এমবাপ্পে। তিনটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার মোট গোলসংখ্যা এখন ২২, যা তাকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সফল গোলদাতার আসনে নিয়ে গেছে। মাত্র ২৭ বছর বয়সে এমন অর্জন ভবিষ্যতের জন্যও বড় সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০৩০ বিশ্বকাপেও তিনি খেললে নিজের এই রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাবেন।

গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে এমবাপ্পে

প্রকাশ: ০৫:১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়েছেন ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি শুধু দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানই রাখেননি, একই সঙ্গে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায়ও উঠে এসেছেন সবার ওপরে।

ম্যাচটি অনেকের কাছে তুলনামূলক কম গুরুত্বের হলেও এমবাপ্পের জন্য এটি ছিল ব্যক্তিগত অর্জনের বড় একটি সুযোগ। শুরু থেকেই তাকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায়। দলীয় আক্রমণে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি গোল করার সুযোগ তৈরি করতেও ছিলেন বেশ সক্রিয়। প্রথমার্ধে কয়েকটি প্রচেষ্টা থাকলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাননি তিনি।

বিরতির পরই বদলে যায় দৃশ্যপট। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সতীর্থ মাইকেল ওলিসের নিখুঁত পাস থেকে একক প্রচেষ্টায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করে নিজের প্রথম গোলটি করেন এমবাপ্পে। সেই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা পৌঁছে যায় ৯-এ এবং গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিনি শীর্ষস্থান দখল করেন।

এরপর ম্যাচের এক ঘণ্টা পূর্ণ হওয়ার আগেই আবারও প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেদ করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। দ্বিতীয় গোলের মাধ্যমে টুর্নামেন্টে তার মোট গোল দাঁড়ায় ১০টি, যা তাকে অন্য সব প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে এগিয়ে দেয়।

এদিকে এই পারফরম্যান্সের ফলে লিওনেল মেসির চেয়ে দুই গোলের ব্যবধানে এগিয়ে গেলেন এমবাপ্পে। যদিও স্পেনের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ রয়েছে মেসির, ফলে শেষ পর্যন্ত গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে পরিবর্তনের সম্ভাবনা এখনও পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।

শুধু চলতি আসরেই নয়, বিশ্বকাপের সামগ্রিক ইতিহাসেও নতুন এক মাইলফলক গড়েছেন এমবাপ্পে। তিনটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার মোট গোলসংখ্যা এখন ২২, যা তাকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সফল গোলদাতার আসনে নিয়ে গেছে। মাত্র ২৭ বছর বয়সে এমন অর্জন ভবিষ্যতের জন্যও বড় সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০৩০ বিশ্বকাপেও তিনি খেললে নিজের এই রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাবেন।