গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবগঞ্জ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৩৭ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ ও ১,৬৩০ পিস ট্যাবলেট জব্দ করেছে ৫৯ বিজিবি; পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা।

শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল মাদক জব্দ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে পরিচালিত এ অভিযানে ৩৭ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ এবং ১ হাজার ৬৩০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধীনস্থ চকপাড়া বিওপির একটি বিশেষ টহল দল শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোররাতে শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের ঢুলিপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত পিলার ১৮৩/৩-এস থেকে প্রায় ১ দশমিক ৩ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি বাঁশবাগানকে কেন্দ্র করে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযান চলাকালে টহল দল বাঁশবাগানের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৩৭ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ এবং ১ হাজার ৬৩০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে এসব মাদক দেশে এনে পাচারের উদ্দেশ্যে সেখানে গোপনে মজুত করা হয়েছিল। বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই চোরাকারবারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান দমনে বিজিবি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ প্রভাব থেকে রক্ষা করতে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। সীমান্ত এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য অবৈধ পণ্যের চোরাচালান রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় সচেতন মহল বিজিবির এ ধরনের অভিযানের প্রশংসা করে জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে মাদক পাচার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবগঞ্জ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৩৭ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ ও ১,৬৩০ পিস ট্যাবলেট জব্দ করেছে ৫৯ বিজিবি; পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা।

শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল মাদক জব্দ

প্রকাশ: ০৩:২০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে পরিচালিত এ অভিযানে ৩৭ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ এবং ১ হাজার ৬৩০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধীনস্থ চকপাড়া বিওপির একটি বিশেষ টহল দল শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোররাতে শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের ঢুলিপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত পিলার ১৮৩/৩-এস থেকে প্রায় ১ দশমিক ৩ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি বাঁশবাগানকে কেন্দ্র করে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযান চলাকালে টহল দল বাঁশবাগানের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৩৭ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ এবং ১ হাজার ৬৩০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে এসব মাদক দেশে এনে পাচারের উদ্দেশ্যে সেখানে গোপনে মজুত করা হয়েছিল। বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই চোরাকারবারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান দমনে বিজিবি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ প্রভাব থেকে রক্ষা করতে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। সীমান্ত এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য অবৈধ পণ্যের চোরাচালান রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় সচেতন মহল বিজিবির এ ধরনের অভিযানের প্রশংসা করে জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে মাদক পাচার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।