দুপুরে বাড়িতে ঢুকে মারধরের অভিযোগ; হাসপাতালে ভর্তি মাহফুজা খাতুন, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি

কয়রায় সাবেক ইউপি সদস্যকে মারধর, লুটের অভিযোগ

খুলনার কয়রা উপজেলায় মাহফুজা খাতুন নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যকে বাড়িতে ঢুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী হালিম গাজী ও তার দুই ছেলে শাহিন গাজী ও তুহিন গাজীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মাহফুজা খাতুন গুরুতর আহত হয়েছেন। একই সময় তার গলার চেইন, কানের স্বর্ণালংকার এবং ঘরে থাকা নগদ টাকা ও অন্যান্য স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের জোড়সিং গ্রামের মাহফুজা খাতুনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ঘটনার সময় মাহফুজার স্বামী আসাদুল মোল্লা জমিতে সার দেওয়ার কাজে বাইরে ছিলেন। তাদের দুই সন্তানও স্কুলে থাকায় ওই সময় বাড়িতে একাই ছিলেন মাহফুজা। দুপুরে তিনি রান্নাঘরে রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় হালিম গাজী ও তার দুই ছেলে শাহিন ও তুহিন বাড়িতে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

একপর্যায়ে রান্নাঘরের ভেতর মাহফুজাকে মারধর করা হয়। পরে তাকে টেনে রান্নাঘরের বাইরে এনে বাড়ির সামনের খোলা জায়গায় আবারও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে একপর্যায়ে অচেতন হয়ে পড়েন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুবক্কার সিদ্দিকী জানান, সকালে মাহফুজা খাতুন প্রতিবেশী হালিম গাজীর বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে তিনি জানতে পারেন। পরে বিষয়টি হালিম গাজীর দুই ছেলে জানতে পেরে দুপুরে মাহফুজার বাড়িতে গিয়ে তাকে মারধর করেন বলে তার দাবি।

আবুবক্কার সিদ্দিকী আরও জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত মাহফুজাকে উদ্ধার করেন এবং দ্রুত চিকিৎসার জন্য কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তবে মারধর ও স্বর্ণালংকার-টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে হালিম গাজী, শাহিন গাজী ও তুহিন গাজীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে আইনগত তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা ও দায়ীদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

দুপুরে বাড়িতে ঢুকে মারধরের অভিযোগ; হাসপাতালে ভর্তি মাহফুজা খাতুন, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি

কয়রায় সাবেক ইউপি সদস্যকে মারধর, লুটের অভিযোগ

প্রকাশ: ০৭:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬

খুলনার কয়রা উপজেলায় মাহফুজা খাতুন নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যকে বাড়িতে ঢুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী হালিম গাজী ও তার দুই ছেলে শাহিন গাজী ও তুহিন গাজীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মাহফুজা খাতুন গুরুতর আহত হয়েছেন। একই সময় তার গলার চেইন, কানের স্বর্ণালংকার এবং ঘরে থাকা নগদ টাকা ও অন্যান্য স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের জোড়সিং গ্রামের মাহফুজা খাতুনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ঘটনার সময় মাহফুজার স্বামী আসাদুল মোল্লা জমিতে সার দেওয়ার কাজে বাইরে ছিলেন। তাদের দুই সন্তানও স্কুলে থাকায় ওই সময় বাড়িতে একাই ছিলেন মাহফুজা। দুপুরে তিনি রান্নাঘরে রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় হালিম গাজী ও তার দুই ছেলে শাহিন ও তুহিন বাড়িতে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

একপর্যায়ে রান্নাঘরের ভেতর মাহফুজাকে মারধর করা হয়। পরে তাকে টেনে রান্নাঘরের বাইরে এনে বাড়ির সামনের খোলা জায়গায় আবারও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে একপর্যায়ে অচেতন হয়ে পড়েন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুবক্কার সিদ্দিকী জানান, সকালে মাহফুজা খাতুন প্রতিবেশী হালিম গাজীর বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে তিনি জানতে পারেন। পরে বিষয়টি হালিম গাজীর দুই ছেলে জানতে পেরে দুপুরে মাহফুজার বাড়িতে গিয়ে তাকে মারধর করেন বলে তার দাবি।

আবুবক্কার সিদ্দিকী আরও জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত মাহফুজাকে উদ্ধার করেন এবং দ্রুত চিকিৎসার জন্য কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তবে মারধর ও স্বর্ণালংকার-টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে হালিম গাজী, শাহিন গাজী ও তুহিন গাজীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে আইনগত তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা ও দায়ীদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।