৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত হয়েছে

ভূমিকম্প নকশা

জাপানের রাজধানী টোকিওসহ দেশটির দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রোববার ভোরে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। আকস্মিক কম্পনে ঘুম ভেঙে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বহু মানুষ। ঘটনায় ৩০ জনের বেশি মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জাপানের আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ইবারাকি জেলায় ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৭০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। ভূমিকম্পের পর বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হলেও এ ঘটনায় সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোরের দিকে অধিকাংশ মানুষ ঘুমিয়ে থাকায় ভূমিকম্প শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। ভূমিকম্পপ্রবণ দেশটিতে এমন কম্পন নতুন না হলেও এবারের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দেয়।

ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাতেও। টোকিও থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলাচলকারী রেলপথের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজধানীর কিছু এলাকায় সাময়িক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার ঘটনাও ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ শুরু করেছে।

পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দপ্তর থেকে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। দলটি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

উল্লেখ্য, জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায়ই ছোট-বড় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। গত মাসেও দক্ষিণাঞ্চলের কিউশু দ্বীপের কুমামতো এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছিল।

৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান

প্রকাশ: ০১:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬

জাপানের রাজধানী টোকিওসহ দেশটির দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রোববার ভোরে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। আকস্মিক কম্পনে ঘুম ভেঙে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বহু মানুষ। ঘটনায় ৩০ জনের বেশি মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জাপানের আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ইবারাকি জেলায় ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৭০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। ভূমিকম্পের পর বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হলেও এ ঘটনায় সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোরের দিকে অধিকাংশ মানুষ ঘুমিয়ে থাকায় ভূমিকম্প শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। ভূমিকম্পপ্রবণ দেশটিতে এমন কম্পন নতুন না হলেও এবারের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দেয়।

ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাতেও। টোকিও থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলাচলকারী রেলপথের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজধানীর কিছু এলাকায় সাময়িক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার ঘটনাও ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ শুরু করেছে।

পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দপ্তর থেকে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। দলটি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

উল্লেখ্য, জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায়ই ছোট-বড় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। গত মাসেও দক্ষিণাঞ্চলের কিউশু দ্বীপের কুমামতো এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছিল।