সিঙ্গাপুরের ৫০ শীর্ষ ধনীর তালিকা থেকে বাদ পড়লেন সামিট গ্রুপের আজিজ খান

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পঠিত হয়েছে

গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে তাঁর অবস্থান পিছিয়ে পড়ার পর এবার শীর্ষ ৫০ জনের তালিকা থেকে তিনি বাদ পড়লেন।

গত ২ সেপ্টেম্বর ফোর্বস ‘সিঙ্গাপুরস ৫০ রিচেস্ট’ ২০২৬ শীর্ষক তালিকাটি প্রকাশ করে।

এর আগে ২০২৫ সালের তালিকায় আজিজ খানের অবস্থান ছিল ৪৯তম। তবে আগের বছরগুলোর তুলনায় সাময়িকীটির এই বার্ষিক ক্রমতালিকায় তাঁর অবস্থান প্রতিনিয়তই নামছিল—২০২৪ সালে তিনি ছিলেন ৪৩তম এবং ২০২৩ সালের তালিকায় তাঁর অবস্থান ছিল ৪১তম স্থানে।

ফোর্বসের ২০২৫ সালের প্রকাশিত তালিকায় আজিজ খানের নিট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছিল ১১০ কোটি মার্কিন ডলার। তবে সাময়িকীটির বিলিয়নিয়ার প্রোফাইলের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ কিছুটা কমে বর্তমানে প্রায় ১০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। সম্পদের এই হ্রাসের কারণেই তিনি শীর্ষ ৫০ জনের তালিকা থেকে ছিটকে পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মুহাম্মদ আজিজ খান বর্তমানে সিঙ্গাপুরের নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দা। তাঁর আয়ের ও সম্পদের মূল উৎস বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। বাংলাদেশে সামিট গ্রুপের অধীন বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর ব্যবস্থাপনা, ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক ও আবাসন খাতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ রয়েছে।

এ ছাড়া জাপানের পাওয়ার কোম্পানি ‘জেরা’ (JERA) সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ারের মালিক।

১ হাজার ৬১০ কোটি ডলারের সম্পদ নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কুয়েক লেং বেং ও তাঁর পরিবার।

এ ছাড়া ১ হাজার ৪৩০ কোটি ডলারের সম্পত্তি নিয়ে সিঙ্গাপুরের তৃতীয় শীর্ষ ধনীর অবস্থানে রয়েছেন রবার্ট এনজি ও ফিলিপ এনজি।

ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সাময়িকভাবে ছয়টি বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় দেশটিতে দেড় লাখের বেশি যাত্রী আটকা পড়েছেন।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ১৯ বছর বয়সী যমজ দুই বোনের একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যজনকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তারানেহ রহিমিকে ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ড এবং তাঁর যমজ বোন রোমিনা রহিমিকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইউরোপে অপরাধী চক্রগুলো ক্রমেই মানুষ ও মাদক—দুই ধরনের চোরাচালানেই অভিবাসী পাচারের রুটগুলোকে ব্যবহার করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আইনশৃঙ্খলা সংস্থা ইউরোপোলের অভিবাসী পাচারবিরোধী টাস্কফোর্সের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় টার্গেট

ডাকসুর বিরুদ্ধে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের অভিযোগ

সিঙ্গাপুরের ৫০ শীর্ষ ধনীর তালিকা থেকে বাদ পড়লেন সামিট গ্রুপের আজিজ খান

প্রকাশ: ০৫:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে তাঁর অবস্থান পিছিয়ে পড়ার পর এবার শীর্ষ ৫০ জনের তালিকা থেকে তিনি বাদ পড়লেন।

গত ২ সেপ্টেম্বর ফোর্বস ‘সিঙ্গাপুরস ৫০ রিচেস্ট’ ২০২৬ শীর্ষক তালিকাটি প্রকাশ করে।

এর আগে ২০২৫ সালের তালিকায় আজিজ খানের অবস্থান ছিল ৪৯তম। তবে আগের বছরগুলোর তুলনায় সাময়িকীটির এই বার্ষিক ক্রমতালিকায় তাঁর অবস্থান প্রতিনিয়তই নামছিল—২০২৪ সালে তিনি ছিলেন ৪৩তম এবং ২০২৩ সালের তালিকায় তাঁর অবস্থান ছিল ৪১তম স্থানে।

ফোর্বসের ২০২৫ সালের প্রকাশিত তালিকায় আজিজ খানের নিট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছিল ১১০ কোটি মার্কিন ডলার। তবে সাময়িকীটির বিলিয়নিয়ার প্রোফাইলের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ কিছুটা কমে বর্তমানে প্রায় ১০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। সম্পদের এই হ্রাসের কারণেই তিনি শীর্ষ ৫০ জনের তালিকা থেকে ছিটকে পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মুহাম্মদ আজিজ খান বর্তমানে সিঙ্গাপুরের নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দা। তাঁর আয়ের ও সম্পদের মূল উৎস বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। বাংলাদেশে সামিট গ্রুপের অধীন বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর ব্যবস্থাপনা, ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক ও আবাসন খাতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ রয়েছে।

এ ছাড়া জাপানের পাওয়ার কোম্পানি ‘জেরা’ (JERA) সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ারের মালিক।

১ হাজার ৬১০ কোটি ডলারের সম্পদ নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কুয়েক লেং বেং ও তাঁর পরিবার।

এ ছাড়া ১ হাজার ৪৩০ কোটি ডলারের সম্পত্তি নিয়ে সিঙ্গাপুরের তৃতীয় শীর্ষ ধনীর অবস্থানে রয়েছেন রবার্ট এনজি ও ফিলিপ এনজি।

ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সাময়িকভাবে ছয়টি বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় দেশটিতে দেড় লাখের বেশি যাত্রী আটকা পড়েছেন।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ১৯ বছর বয়সী যমজ দুই বোনের একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যজনকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তারানেহ রহিমিকে ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ড এবং তাঁর যমজ বোন রোমিনা রহিমিকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইউরোপে অপরাধী চক্রগুলো ক্রমেই মানুষ ও মাদক—দুই ধরনের চোরাচালানেই অভিবাসী পাচারের রুটগুলোকে ব্যবহার করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আইনশৃঙ্খলা সংস্থা ইউরোপোলের অভিবাসী পাচারবিরোধী টাস্কফোর্সের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।