ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ‘চীন এখনো কেনেনি—এমন ইরানি অপরিশোধিত তেল সম্ভবত মাত্র ৩০ মিলিয়ন ব্যারেল রয়েছে। সেটিও দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। ফলে চীনের তেল কেনা নিয়ে আর কোনো সমস্যা থাকবে না। কারণ তাদের কেনার মতো পণ্যই থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপের অভিযান কোনো দেশকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে ইরানের শাসনব্যবস্থাকে অর্থনৈতিকভাবে ‘শ্বাসরোধ’ করাই ওয়াশিংটনের লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বেসেন্টের দাবি, ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধ একসঙ্গে অত্যন্ত কার্যকর হয়েছে। তিনি বলেন, ‘অবরোধ এমনভাবে কাজ করছে, যা আমরা আগে কখনো দেখিনি।’ তাঁর মতে, নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী সমন্বিত পদক্ষেপগুলোর একটি।
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি নিয়েও মন্তব্য করেন বেসেন্ট। দুই বছরের মধ্যে তেলশিল্পে এই প্রণালির গুরুত্ব অনেকটাই কমে যাবে বলে নিজের পূর্বাভাস পুনর্ব্যক্ত করে তিনি এবং বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো বিকল্প পাইপলাইন নির্মাণ করছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনের প্রয়োজন কমে আসবে।
ইরানের হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে—এমন ধারণাও প্রত্যাখ্যান করেন বেসেন্ট। তিনি দাবি করেন, প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে।
বেসেন্ট আরও বলেন, সংঘাতের ফলে জ্বালানির দাম বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ সাময়িকভাবে চাপের মুখে পড়লেও যুদ্ধ শেষ হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। একই সঙ্গে তাঁর প্রত্যাশা, সংঘাতের পর ইরান আর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে না।
যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বসনিয়ান সার্ব কমান্ডার রাতকো ম্লাদিচের মরদেহ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলগ্রেডের একটি সার্বিয়ান অর্থোডক্স গির্জায় শেষ শ্রদ্ধার জন্য রাখা হয়। তাঁর শেষকৃত্যে পূর্ণ সামরিক মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সতর্কবার্তা উপেক্ষা…
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধে দীর্ঘ ও কঠিন সামরিক মোতায়েন শেষে কয়েক মাস পর স্থলভাগে পা রাখার সুযোগ পেয়েছিলেন মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের নাবিক ও মেরিনেরা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত ও জামাতা জ্যারেড কুশনার বলেছেন, ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিস্থিতি গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলছে। তবে গাজা নিয়ে শেষ পর্যন্ত কী অর্জন করতে হবে, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন ও জেরুসালেম একমত বলে জানিয়েছেন তিনি।
দৈনিক টার্গেট 

























