রিয়ালের জয় ছাপিয়ে আলোচনায় এমবাপ্পের পেনাল্টি বিতর্ক

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৫৮:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

ম্যাচের শুরুতেই বক্সের ভেতর মার্তিনের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে যান এমবাপ্পে। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি মুনুয়েরা। এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হন রেসিং সান্তান্দারের খেলোয়াড়েরা। ম্যাচ চলাকালে প্রতিবাদ জানালেও শেষ বাঁশির পরও তাঁদের অসন্তোষ কমেনি।

বিরতির সময় ডিএজেডএনের সঙ্গে কথা বলেন মার্তিন। এমবাপ্পের সঙ্গে সংস্পর্শের বিষয়টি স্বীকার করলেও পেনাল্টির সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ এই মিডফিল্ডার।

মার্তিন বলেন, ‘আমি ওর গায়ে সামান্য হাত রেখেছিলাম। কিন্তু এ ধরনের ঘটনাকে পেনাল্টি হিসেবে দেওয়া উচিত নয়।’

রেফারির ব্যাখ্যা তুলে ধরে মার্তিন বলেন, ‘রেফারি আমাদের বলেছিলেন, তিনি সংস্পর্শ দেখেছেন এবং ভিএআর প্রযুক্তিও তাঁকে নিশ্চিত করেছে যে সংস্পর্শ হয়েছিল।’

এমবাপ্পের সঙ্গে সংস্পর্শ ঘটেছিল, তা নিয়ে দ্বিমত নেই মার্তিনের। তবে সেই স্পর্শ পেনাল্টি দেওয়ার মতো অপরাধ ছিল কি না, সেটিই তাঁর প্রশ্ন। রেসিংয়ের কোচ হোসে আলবার্তোও একই অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর মতে, এমবাপ্পেকে ধাক্কা দেওয়া কিংবা ধরে রাখার ঘটনা ঘটেনি। তাই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল না।

অন্যদিকে, রেফারির সিদ্ধান্তের পেছনেও যুক্তি রয়েছে। মুনুয়েরার কাছে মার্তিনের হাতের সংস্পর্শ এমবাপ্পের দৌড়ে বাধা সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট ছিল। বক্সের ভেতরে কোনো সংস্পর্শ খেলোয়াড়ের গতিবিধিতে বাধা দিলে সেটি ফাউল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে ঠিক কতটা ওই স্পর্শ এমবাপ্পের চলার পথে প্রভাব ফেলেছে, তা নির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করা কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে রেফারির বিচার বিবেচনাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এ ঘটনায় ভিএআরের হস্তক্ষেপের সুযোগও সীমিত ছিল। কারণ, রেফারি নিজেই ঘটনাটি দেখেছিলেন এবং নিজের বিবেচনায় সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। সংস্পর্শ না হলে ভিএআর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বাতিল করতে পারতো। কিন্তু সংস্পর্শের অস্তিত্ব থাকায় সিদ্ধান্তটি বহাল থাকে।

এক সন্ধ্যায় দুই সোনালি প্রজন্ম

এক সন্ধ্যায় দুই সোনালি প্রজন্ম

জাতীয় স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইটের ঝলমলে আলো। সেই আলোয় উজ্জ্বল সবুজ মাঠে একে একে নামছেন আলফাজ আহমেদ, আমিনুল হক, আরমান মিয়া, এনামুল হক, জাহিদ হাসান এমিলি, মামুনুল ইসলামরা। কারও গায়ে ২০০৩ সালের সাফজয়ী দলের জার্সি, আবার কারও গায়ে ২০১০ সালের এসএ গেমসে সোনাজয়ী দলের। বয়স বেড়েছে, কেউ ফুটবল ছেড়েছেন অনেক দিন,

সাফজয়ী অধিনায়ক রজনীর পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সাফজয়ী অধিনায়ক রজনীর পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাফল্যের অন্যতম কারিগর রজনীকান্ত বর্মণ এখন ফুটবল থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। ২০০৩ সাফের ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট পুরস্কারজয়ী রজনী অনেকটা পঙ্গুত্ব বরণ করে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গ্রামের বাড়িতে নিভৃতে পড়ে রয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে। দৈনিক আজকের পত্রিকায় তাঁকে নিয়ে আজ একটি প্রতিবেদন

হামজা-ফারহানকে ছাড়াও ভালো করার প্রতিশ্রুতি শমিতের

হামজা-ফারহানকে ছাড়াও ভালো করার প্রতিশ্রুতি শমিতের

ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ, অথচ প্রথম ম্যাচেই পূর্ণ শক্তির দল পাচ্ছে না বাংলাদেশ। ৫ নভেম্বর ভুটানের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী ওয়াহিদকে ছাড়াই পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে কোচ টমাস ডুলিকে। এর মধ্যে চোটের কারণে টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে গেছেন তরুণ স্ট্রাইকার রোনান সুলিভান। গুরুত্বপূর্ণ

জনপ্রিয় টার্গেট

বাংলাদেশকে নিয়ে সতর্ক দক্ষিণ আফ্রিকা

রিয়ালের জয় ছাপিয়ে আলোচনায় এমবাপ্পের পেনাল্টি বিতর্ক

প্রকাশ: ১০:৫৮:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

ম্যাচের শুরুতেই বক্সের ভেতর মার্তিনের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে যান এমবাপ্পে। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি মুনুয়েরা। এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হন রেসিং সান্তান্দারের খেলোয়াড়েরা। ম্যাচ চলাকালে প্রতিবাদ জানালেও শেষ বাঁশির পরও তাঁদের অসন্তোষ কমেনি।

বিরতির সময় ডিএজেডএনের সঙ্গে কথা বলেন মার্তিন। এমবাপ্পের সঙ্গে সংস্পর্শের বিষয়টি স্বীকার করলেও পেনাল্টির সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ এই মিডফিল্ডার।

মার্তিন বলেন, ‘আমি ওর গায়ে সামান্য হাত রেখেছিলাম। কিন্তু এ ধরনের ঘটনাকে পেনাল্টি হিসেবে দেওয়া উচিত নয়।’

রেফারির ব্যাখ্যা তুলে ধরে মার্তিন বলেন, ‘রেফারি আমাদের বলেছিলেন, তিনি সংস্পর্শ দেখেছেন এবং ভিএআর প্রযুক্তিও তাঁকে নিশ্চিত করেছে যে সংস্পর্শ হয়েছিল।’

এমবাপ্পের সঙ্গে সংস্পর্শ ঘটেছিল, তা নিয়ে দ্বিমত নেই মার্তিনের। তবে সেই স্পর্শ পেনাল্টি দেওয়ার মতো অপরাধ ছিল কি না, সেটিই তাঁর প্রশ্ন। রেসিংয়ের কোচ হোসে আলবার্তোও একই অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর মতে, এমবাপ্পেকে ধাক্কা দেওয়া কিংবা ধরে রাখার ঘটনা ঘটেনি। তাই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল না।

অন্যদিকে, রেফারির সিদ্ধান্তের পেছনেও যুক্তি রয়েছে। মুনুয়েরার কাছে মার্তিনের হাতের সংস্পর্শ এমবাপ্পের দৌড়ে বাধা সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট ছিল। বক্সের ভেতরে কোনো সংস্পর্শ খেলোয়াড়ের গতিবিধিতে বাধা দিলে সেটি ফাউল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে ঠিক কতটা ওই স্পর্শ এমবাপ্পের চলার পথে প্রভাব ফেলেছে, তা নির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করা কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে রেফারির বিচার বিবেচনাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এ ঘটনায় ভিএআরের হস্তক্ষেপের সুযোগও সীমিত ছিল। কারণ, রেফারি নিজেই ঘটনাটি দেখেছিলেন এবং নিজের বিবেচনায় সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। সংস্পর্শ না হলে ভিএআর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বাতিল করতে পারতো। কিন্তু সংস্পর্শের অস্তিত্ব থাকায় সিদ্ধান্তটি বহাল থাকে।

এক সন্ধ্যায় দুই সোনালি প্রজন্ম

এক সন্ধ্যায় দুই সোনালি প্রজন্ম

জাতীয় স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইটের ঝলমলে আলো। সেই আলোয় উজ্জ্বল সবুজ মাঠে একে একে নামছেন আলফাজ আহমেদ, আমিনুল হক, আরমান মিয়া, এনামুল হক, জাহিদ হাসান এমিলি, মামুনুল ইসলামরা। কারও গায়ে ২০০৩ সালের সাফজয়ী দলের জার্সি, আবার কারও গায়ে ২০১০ সালের এসএ গেমসে সোনাজয়ী দলের। বয়স বেড়েছে, কেউ ফুটবল ছেড়েছেন অনেক দিন,

সাফজয়ী অধিনায়ক রজনীর পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সাফজয়ী অধিনায়ক রজনীর পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাফল্যের অন্যতম কারিগর রজনীকান্ত বর্মণ এখন ফুটবল থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। ২০০৩ সাফের ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট পুরস্কারজয়ী রজনী অনেকটা পঙ্গুত্ব বরণ করে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গ্রামের বাড়িতে নিভৃতে পড়ে রয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে। দৈনিক আজকের পত্রিকায় তাঁকে নিয়ে আজ একটি প্রতিবেদন

হামজা-ফারহানকে ছাড়াও ভালো করার প্রতিশ্রুতি শমিতের

হামজা-ফারহানকে ছাড়াও ভালো করার প্রতিশ্রুতি শমিতের

ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ, অথচ প্রথম ম্যাচেই পূর্ণ শক্তির দল পাচ্ছে না বাংলাদেশ। ৫ নভেম্বর ভুটানের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী ওয়াহিদকে ছাড়াই পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে কোচ টমাস ডুলিকে। এর মধ্যে চোটের কারণে টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে গেছেন তরুণ স্ট্রাইকার রোনান সুলিভান। গুরুত্বপূর্ণ