আজ বুধবার রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় রিকশা-ভ্যান চালক শক্তির তত্ত্বাবধায়ক আহমেদ ইসহাক বলেন, ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা বাংলাদেশের বড় একটি অর্থনৈতিক খাত। রিকশাচালক, মেকানিক, যন্ত্রাংশ বিক্রেতা, গ্যারেজ মালিক ও উৎপাদনের সঙ্গে যুক্তসহ প্রায় এক কোটি মানুষের জীবিকা এ খাতের সঙ্গে জড়িত। সেক্টরটি অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠলেও উচ্ছেদ বা নিষেধাজ্ঞা নয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নগর-পরিকল্পনা ও শ্রমিকদের মতামতের ভিত্তিতে এর ব্যবস্থাপনা করতে হবে। পরিকল্পনা ছাড়া এত বড় সেক্টর বন্ধ করা সরকারের জন্য আত্মঘাতী হবে।
রিকশা উচ্ছেদের নামে হয়রানি করা হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন আহমেদ ইসহাক। তিনি বলেন, ১ থেকে ৩ সেপ্টেম্বর রিকশার ব্যাটারি খুলে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বেআইনিভাবে গরিবের পেটে লাথি দেওয়া হলে শ্রমিকেরা রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন।
সংগঠনের আহ্বায়ক ফয়সাল আহমেদ বলেন, আমরাও পরিকল্পিত ও যানজটমুক্ত ঢাকা চাই। মহাসড়কে রিকশা চালাতে চাই না। তবে এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে সংলাপ করতে হবে। বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি না করে উচ্ছেদ করা হলে প্রায় এক কোটি মানুষ না খেয়ে মরবে।
সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদুল ইসলাম বলেন, রিকশা উৎপাদন, যন্ত্রাংশ আমদানি, বিক্রি ও বিপণন বৈধ। কিন্তু শ্রমিকেরা জীবিকার প্রয়োজনে রাস্তায় নামলে তাঁদের অবৈধ বলা হয় কেন–এ প্রশ্নের জবাব সরকারকে দিতে হবে।
সংগঠনটির অন্য দাবিগুলো হলো–বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও নগর-পরিকল্পনার ভিত্তিতে রিকশা চলাচলের নীতিমালা প্রণয়ন, প্রয়োজন অনুযায়ী পৃথক লেন, নির্ধারিত রুট ও রিকশা স্ট্যান্ড তৈরি, রিকশাশ্রমিকদের স্বল্পমূল্যে প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্রে পেশা অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে নিবন্ধন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সহজকরণ, নগর-পরিকল্পনা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় রিকশাশ্রমিকদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।
সংগঠনের সদস্যসচিব মুহাম্মদ ওবায়দুল ইসলামের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সংগঠক হানিফ মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক ওহিদুল ইসলাম, মুহাম্মদ জয়নাল, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সুমন রহমান সালেহ, যুগ্ম সদস্যসচিব মুহাম্মদ রাজু, সাকা নূর প্রমুখ।
সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া চিকিৎসা শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাস দেশে ফিরছেন আজ (২ সেপ্টেম্বর)। রাত ৯টায় বাংলাদেশ বিমানে ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে তাঁর।
জাতীয় সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের দূরত্ব দিন দিন বাড়ছে। সংস্কারসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দুই পক্ষে বাহাস হচ্ছে প্রায়শ। বিরোধীদের ওয়াকআউটের ঘটনাও ঘন ঘন ঘটছে।
এ দেশ মুক্ত হবে, এ দেশে ইনশাআল্লাহ কোরআনের আইন কায়েম হবে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, আপনাকে-আমাকে নিয়ে, নাকি আপনাকে-আমাকে বাদ দিয়ে আল্লাহর আইন কায়েম হলো? আমরা যদি তাঁর সঙ্গী হতে না পারলাম, আমরা কি সৌভাগ্যবান হব? আল্লাহ তাআলা সেই সৌভাগ্যটা যেন আমাদের দান করেন…
দৈনিক টার্গেট 


























