মক্কায় কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী চার হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৬:২৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পঠিত হয়েছে

রাজধানীর মিন্টু রোডে বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আজ বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ বিজয়ী বাংলাদেশি হাফেজদের বিরোধী দলীয় নেতার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী মাদ্রাসার পাশাপাশি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষা গ্রহণ করছে। এ সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও উৎসাহিত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, এ বছর মক্কায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অংশ নেওয়া চারজন প্রতিযোগীর সবাই বিজয়ী হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন প্রথম এবং তিনজন বিভিন্ন গ্রুপে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন। বিশ্বমঞ্চে তাঁদের এ সাফল্য বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।

মক্কার বায়তুল হারামে বিজয়ীদের নাম ঘোষণার সময় বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা প্রদর্শিত হয়েছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বিশ্বমঞ্চে সাফল্য অর্জনকারীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত করা হলেও কোরআনের হাফেজদের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত তেমন উদ্যোগ দেখা যায়নি।’ তিনি সরকারের প্রতি দ্রুত তাদের সংবর্ধনা ও যথাযথ সম্মাননার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে অতীত ও বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে বিজয়ী সব হাফেজকে নিয়ে সম্মানজনক সংবর্ধনার আয়োজনের দাবিও জানান।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘নৈতিক শিক্ষার বিকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ধর্মীয় শিক্ষা। ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ভালো ও নৈতিক নাগরিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কওমি শিক্ষাব্যবস্থা ও হিফজুল কোরআনের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের প্রতি সরকারের যথাযথ সহযোগিতা থাকা উচিত। এটি কোনো অনুগ্রহ নয়, তাঁদের ন্যায্য অধিকার।’

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ড. খলিলুর রহমান মাদানিসহ অনেকে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর গণভোটের গণ রায়কে উপেক্ষা করার পর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠার হীন আকাঙ্ক্ষা নিয়ে স্থানীয় নির্বাচনকে প্রলম্বিত করার উদ্দেশে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদের পর ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ অব্যাহত রেখেছে…

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা ওসমান। সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আন্তরিক ও খোলামেলা মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

ফিরে এসেছি মানুষের জন্য কাজ করতে: সংসদে যোগ দিয়ে মির্জা আব্বাস

মক্কায় কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী চার হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা

প্রকাশ: ০৬:২৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর মিন্টু রোডে বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আজ বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ বিজয়ী বাংলাদেশি হাফেজদের বিরোধী দলীয় নেতার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী মাদ্রাসার পাশাপাশি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষা গ্রহণ করছে। এ সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও উৎসাহিত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, এ বছর মক্কায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অংশ নেওয়া চারজন প্রতিযোগীর সবাই বিজয়ী হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন প্রথম এবং তিনজন বিভিন্ন গ্রুপে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন। বিশ্বমঞ্চে তাঁদের এ সাফল্য বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।

মক্কার বায়তুল হারামে বিজয়ীদের নাম ঘোষণার সময় বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা প্রদর্শিত হয়েছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বিশ্বমঞ্চে সাফল্য অর্জনকারীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত করা হলেও কোরআনের হাফেজদের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত তেমন উদ্যোগ দেখা যায়নি।’ তিনি সরকারের প্রতি দ্রুত তাদের সংবর্ধনা ও যথাযথ সম্মাননার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে অতীত ও বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে বিজয়ী সব হাফেজকে নিয়ে সম্মানজনক সংবর্ধনার আয়োজনের দাবিও জানান।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘নৈতিক শিক্ষার বিকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ধর্মীয় শিক্ষা। ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ভালো ও নৈতিক নাগরিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কওমি শিক্ষাব্যবস্থা ও হিফজুল কোরআনের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের প্রতি সরকারের যথাযথ সহযোগিতা থাকা উচিত। এটি কোনো অনুগ্রহ নয়, তাঁদের ন্যায্য অধিকার।’

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ড. খলিলুর রহমান মাদানিসহ অনেকে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর গণভোটের গণ রায়কে উপেক্ষা করার পর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠার হীন আকাঙ্ক্ষা নিয়ে স্থানীয় নির্বাচনকে প্রলম্বিত করার উদ্দেশে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদের পর ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ অব্যাহত রেখেছে…

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা ওসমান। সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আন্তরিক ও খোলামেলা মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।