আইএফসি হলো বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বেসরকারি খাতবিষয়ক শাখা। ব্র্যাক ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে এই আনসিকিউরড ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সলিউশন (ডব্লিউসিএস) সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এই ঋণের মূল লক্ষ্য হলো নারী উদ্যোক্তাদের পরিচালিত ব্যবসা এবং কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া।
এক বছর মেয়াদে ডিজাইনকৃত এই ঋণসুবিধাটি দুবার নবায়নের সুযোগসহ সর্বোচ্চ তিন বছর মেয়াদে ব্যবহার করা যাবে। এই তহবিলের অন্তত ৫০ শতাংশ বা এর সমপরিমাণ স্থানীয় মুদ্রা নারী-নেতৃত্বাধীন এমএসএমই খাতের জন্য বরাদ্দ করা হবে এবং ন্যূনতম ২৫ শতাংশ দেওয়া হবে কৃষি খাতের এমএসএমই-তে। এর ফলে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি খাতে ঋণের যে বড় ঘাটতি রয়েছে, তা দূর করা সম্ভব হবে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি এই সুবিধাটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল পাওয়ার সুযোগও আরও সহজ করে তুলবে।
আইএফসি-র ‘এমএসএমই ফাইন্যান্স প্ল্যাটফর্ম’-এর ‘এসএমই এনভেলাপ’-এর অধীনে এই বিনিয়োগটি করা হচ্ছে, যা উদীয়মান বাজারগুলোতে সুবিধাবঞ্চিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সেবা দেওয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়ন করে। এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য হলো ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণের সুযোগ সহজতর করা।
আইএফসি-এর বাংলাদেশ ও নেপালের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ম্যানেজার উইলফ্রিড টামেগ্নন বলেন, ‘বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হলো এমএসএমই খাত। নারী-নেতৃত্বাধীন এবং কৃষি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে এই সুবিধাটি আরও বেশি প্রতিষ্ঠানকে বিনিয়োগ করতে, ব্যবসার পরিধি বাড়াতে এবং দেশজুড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করবে। এই খাতগুলোর প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং বেসরকারি খাতের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি জোরদার করতে ব্র্যাক ব্যাংককে সহায়তা করতে পেরে আমরা গর্বিত।’
প্রকল্পটির আওতায় ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বছরে আরও ৩০ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা তৈরি হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের চাহিদার প্রায় ৪৫–৫০ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হবে। প্রকল্পটি ২০৩০ সালের নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
দৈনিক টার্গেট 


























