রামিসা হত্যায় আইনজীবী শিশির মনির

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • ৬৫ বার পঠিত হয়েছে

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষে আইনি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য শিশির মনির।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ৮টা ৩৪ মিনিটে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, এ মামলায় তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় পরিবারের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে তিনি আইনি লড়াই চালাবেন ইনশাআল্লাহ। তার এই ঘোষণার পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাথরুম থেকে তার মাথা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হলে তদন্তে অগ্রগতি আসে। মামলার শুরুতেই প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশ। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা গ্রেপ্তার হন।

গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করার কথা স্বীকার করেন বলে জানায় তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এদিকে, এই নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।

রামিসা হত্যায় আইনজীবী শিশির মনির

প্রকাশ: ০৯:০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষে আইনি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য শিশির মনির।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ৮টা ৩৪ মিনিটে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, এ মামলায় তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় পরিবারের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে তিনি আইনি লড়াই চালাবেন ইনশাআল্লাহ। তার এই ঘোষণার পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাথরুম থেকে তার মাথা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হলে তদন্তে অগ্রগতি আসে। মামলার শুরুতেই প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে পুলিশ। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা গ্রেপ্তার হন।

গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করার কথা স্বীকার করেন বলে জানায় তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এদিকে, এই নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।