আগে নিজেদের শুধরানোর আহ্বান রাশেদ খাঁনের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ১১৬ বার পঠিত হয়েছে

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীদের আচরণ নিয়েও তুলনামূলক মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দলীয় শৃঙ্খলা, রাজনৈতিক আচরণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য তুলে ধরেন।

রাশেদ খান তার পোস্টে ইঙ্গিত করেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে নেতাদের প্রতি আবেগ প্রকাশের ভিন্নতা দেখা যায়। তার ভাষায়, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা তাদের নেতার প্রতি আবেগ দেখালে সেটিকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখা হলেও, অন্য দলের ক্ষেত্রে একই ধরনের আচরণকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়।

তিনি আরও দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু কনটেন্ট নির্মাতা বা ‘ভিউ ব্যবসায়ী’ উদ্দেশ্যমূলকভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ছোটখাটো ঘটনা জুম করে বা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেন, যা অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি করে এবং অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের জন্ম দেয়।

তার বক্তব্যে তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, জনসমাবেশ বা মিছিলে স্বাভাবিক ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও অতিরঞ্জিতভাবে প্রচার করা হয়। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয় নিয়েও অনলাইনে অতি-উৎসাহীভাবে কনটেন্ট তৈরি করার প্রবণতাকে তিনি সমালোচনা করেন।

পোস্টের শেষ অংশে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, অন্যদের সমালোচনা করার আগে নিজেদের দলে থাকা অনিয়ম বা বিতর্কিত আচরণগুলো সংশোধন করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

জনপ্রিয় টার্গেট

নামফলকে নিজের নাম দেখে ফলক উন্মোচন করেননি হাসনাত আবদুল্লাহ, আলোচনা-সমালোচনা

আগে নিজেদের শুধরানোর আহ্বান রাশেদ খাঁনের

প্রকাশ: ০৫:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীদের আচরণ নিয়েও তুলনামূলক মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দলীয় শৃঙ্খলা, রাজনৈতিক আচরণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য তুলে ধরেন।

রাশেদ খান তার পোস্টে ইঙ্গিত করেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে নেতাদের প্রতি আবেগ প্রকাশের ভিন্নতা দেখা যায়। তার ভাষায়, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা তাদের নেতার প্রতি আবেগ দেখালে সেটিকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখা হলেও, অন্য দলের ক্ষেত্রে একই ধরনের আচরণকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়।

তিনি আরও দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু কনটেন্ট নির্মাতা বা ‘ভিউ ব্যবসায়ী’ উদ্দেশ্যমূলকভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ছোটখাটো ঘটনা জুম করে বা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেন, যা অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি করে এবং অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের জন্ম দেয়।

তার বক্তব্যে তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, জনসমাবেশ বা মিছিলে স্বাভাবিক ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও অতিরঞ্জিতভাবে প্রচার করা হয়। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয় নিয়েও অনলাইনে অতি-উৎসাহীভাবে কনটেন্ট তৈরি করার প্রবণতাকে তিনি সমালোচনা করেন।

পোস্টের শেষ অংশে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, অন্যদের সমালোচনা করার আগে নিজেদের দলে থাকা অনিয়ম বা বিতর্কিত আচরণগুলো সংশোধন করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।