গাড়ি, আসবাবপত্র, খাদ্য, জ্বালানি ও জ্বালানি-সম্পর্কিত পণ্যসহ নানা ধরনের পণ্য মাত্র প্রায় ২০ মাইল প্রশস্ত এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। এর সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ প্রায় ২০ মাইল। এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত ও কেপ অব গুড হোপ বা উত্তমাশা অন্তরীপ ঘুরে যেতে হবে। এতে হাজার হাজার মাইল অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিতে হবে, ভ্রমণে কয়েক দিন বেশি লাগবে এবং পণ্যের দামও বাড়বে।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের কারণে এখন হরমুজ প্রণালি এবং এর মধ্য দিয়ে চলাচলকারী জ্বালানি পরিবহনের ওপর বিশ্বের নির্ভরতা নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়াতে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই কৌশল ইরান বহু বছর আগে বাব এল-মান্দেবে প্রয়োগ করে দক্ষতা অর্জন করেছিল। গত সপ্তাহে ইয়েমেনে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী নতুন করে অভিযান শুরু করার পর সেই কৌশল আবার প্রয়োগ করার অবস্থানে রয়েছে ইরান।
বাব এল-মান্দেব নামটির আক্ষরিক অর্থ ‘অশ্রুর দরজা।’ কিছু কিংবদন্তিতে বলা হয়, প্রাচীনকালের ভূমিকম্প ও বন্যার কারণে আফ্রিকা ও আরব উপদ্বীপ আলাদা হয়ে যায় এবং এতে অগণিত মানুষ মারা যায়। নামটির সঠিক উৎপত্তি যা-ই হোক, এই জলপথের ইতিহাস খুব একটা সুখকর নয়।
১৯৭৯ সাল থেকে ইরানের বিপ্লবী সরকার মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নিজেদের আদর্শ ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে আসছে। এর প্রধান হাতিয়ার ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি এবং এর বিশেষ বাহিনী কুদস ফোর্স। ‘কুদস’ শব্দের অর্থ জেরুজালেম। এই বাহিনী পুরো অঞ্চলের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ করে।
লেবাননে হিজবুল্লাহ, গাজায় হামাস ও ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ, ইরাকে বিভিন্ন মিলিশিয়া যারা বারবার মার্কিন বাহিনী, ইসরায়েল ও সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, এবং ক্রমেই ইয়েমেনের হুতিরা ইরানের এই নেটওয়ার্কের অংশ হয়ে উঠেছে। কৌশলটি সরল। দুর্বল বা রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত দেশগুলোতে সশস্ত্র নেটওয়ার্ক তৈরি করা। এর মাধ্যমে ইরান সরাসরি যুদ্ধে না গিয়েও কৌশলগত গভীরতা ও চাপ প্রয়োগের ক্ষমতা অর্জন করে।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব, বিশেষ করে সৌদি আরব, দীর্ঘদিন ধরে এই কৌশলের প্রধান লক্ষ্য। হুতিদের অফিশিয়াল বা আনুষ্ঠানিক স্লোগানটিও খুবই স্পষ্ট—‘আল্লাহ মহান। আমেরিকার ধ্বংস। ইসরায়েলের ধ্বংস। ইহুদিদের ওপর অভিশাপ। ইসলামের বিজয়।’
ইয়েমেন সৌদি আরবের সরাসরি দক্ষিণে অবস্থিত। স্নায়যুদ্ধের সময় দেশটি উত্তর ও দক্ষিণে বিভক্ত ছিল এবং ১৯৯০ সালে একীভূত হয়। কিন্তু একীভূত হওয়ার পরও গভীর রাজনৈতিক, উপজাতীয় ও আঞ্চলিক বিভাজনের পুরোপুরি সমাধান হয়নি। হুতি আন্দোলনের উত্থান ঘটে উত্তর ইয়েমেনে ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে এবং ১৯৯০-এর দশকে। মূলত জাইদি শিয়া পুনর্জাগরণ আন্দোলন থেকে গড়ে ওঠে এই গোষ্ঠী। হুসেইন আল-হুতির নেতৃত্বে আন্দোলনটি পরে রাজনৈতিক ও সশস্ত্র রূপ নেয় এবং ইয়েমেনের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে জড়ায়।
পরে সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আনসার আল্লাহ’ নাম গ্রহণ করে। তাদের ইরান থেকে অনুপ্রাণিত স্লোগানটি ছিল, ‘আল্লাহ মহান। আমেরিকার ধ্বংস। ইসরায়েলের ধ্বংস। ইহুদিদের ওপর অভিশাপ। ইসলামের বিজয়।’ ২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে। তারা সরকারকে দক্ষিণ দিকে সরে যেতে বাধ্য করে। এরপর শেষ পর্যন্ত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু হয়।
ইরান হুতিদের তৈরি করেনি। হুতিদের নিজেদের স্বার্থ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষাও রয়েছে। তবে ইরানের অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ, ড্রোন, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা একটি স্থানীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে এমন একটি শক্তিতে পরিণত করতে সাহায্য করেছে, যার প্রভাব এখন বিশ্বজুড়ে অনুভূত হয়।
জো বাইডেন ক্ষমতায় আসার কিছুদিন আগে আমাকে তাঁর মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তখন ইয়েমেন ছিল অগ্রাধিকারের অন্যতম প্রধান বিষয়। সিনেটর, মানবিক সহায়তা সংস্থা ও বিভিন্ন অধিকারকর্মীর কাছ থেকে আমি ফোন পেতাম। তারা যুদ্ধ বন্ধে যা করার দরকার, তা করার জন্য আমাদের আহ্বান জানাতেন।
তখন গৃহযুদ্ধ সপ্তম বছরে প্রবেশ করেছিল। মানবিক পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। বিশেষ করে হুতিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত খারাপ। হুতিরা যুদ্ধের জন্য বিপুল সম্পদ ব্যয় করছিল এবং একই সঙ্গে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকার বেসামরিক মানুষকে টিকিয়ে রাখতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ওপর নির্ভর করছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের ‘ফরেন টেররিস্ট অর্গানাইজেশন’ বা বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো সতর্ক করে দিয়েছিল, এই সিদ্ধান্ত ত্রাণ কার্যক্রমকে আইনি ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে এবং মানবিক সংকট আরও ভয়াবহ করতে পারে। এর পাশাপাশি সানা ও হুতিদের নিয়ন্ত্রিত অন্যান্য এলাকায় সৌদি বিমান হামলাও পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছিল। প্রতিক্রিয়ায় বাইডেন প্রশাসন হুতিদের সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে সরিয়ে নেয়। সৌদি আরবের আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন বন্ধ করা হয়, যার মধ্যে কিছু অস্ত্র বিক্রিও ছিল। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও রাজনৈতিক সমঝোতার জন্য একজন বিশেষ দূত নিয়োগ করা হয়।
প্রায় একই সময়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীও অঞ্চল থেকে কিছু সম্পদ সরিয়ে নেয়। সৌদি আরব থেকে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে ডেস্ট্রয়ার ও ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ সরিয়ে নেওয়া হয়। ওয়াশিংটনের মনোযোগ কূটনীতির দিকে চলে যায়। কিন্তু সেই কূটনীতির পেছনে যে সামরিক শক্তির সমর্থন অনেক সময় প্রয়োজন হয়, সেটি তখন আর আগের মতো ছিল না।
যুক্তরাষ্ট্র যখন পিছু হটছিল, ইরান তখন আরও জোরালোভাবে এগিয়ে যায়। তারা সমুদ্রপথ ও স্থলপথে চোরাচালানের মাধ্যমে হুতিদের সহায়তা দিতে থাকে। ইরান ও হিজবুল্লাহর সদস্যরাও উন্নত অস্ত্র একত্র করা ও তৈরি করতে সহায়তা করে। একই সময়ে সৌদি আরবের ভেতরে হুতিদের হামলাও বাড়তে থাকে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সহায়তা করে। ওই বছরের গ্রীষ্মে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সৌদি আরব সফরও এই প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে। আশা করা হয়েছিল, এই যুদ্ধবিরতি একটি স্থায়ী রাজনৈতিক সমঝোতার জন্য সুযোগ তৈরি করবে।
কিন্তু এখন পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায়, যুদ্ধবিরতি আসলে হুতিদের সুবিধা বাড়িয়ে দিয়েছিল। ইরান তার আঞ্চলিক কৌশলের বৃহত্তর প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য হুতিদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ চালিয়ে যায়।
২০২৩ সালে হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলা এবং গাজায় ইসরায়েলের পাল্টা অভিযান শুরুর পর ইরানের সশস্ত্র অংশীদাররাও বিভিন্ন দিক থেকে সংঘাতে যুক্ত হয়। লেবানন থেকে হিজবুল্লাহ হামলা চালায়। ইরান-সমর্থিত ইরাক ও সিরিয়ার মিলিশিয়াগুলো মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা চালায়। শেষ পর্যন্ত এসব হামলায় কয়েকজন আমেরিকান নিহত হন।
ইরানের বার্তা ছিল খুবই স্পষ্ট। তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলার মাধ্যমে নিজেদের আঞ্চলিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও কূটনীতিকে সমর্থন করবে, অথচ সরাসরি হামলার দায় অস্বীকার করবে। পরের রাতেই তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন হুতিদের সামরিক স্থাপনায় প্রথম বড় ধরনের মার্কিন হামলার নির্দেশ দেন। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, বাহরাইন, কানাডা ও নেদারল্যান্ডস এই অভিযানে সমর্থন দেয়। বিভিন্ন রূপে এই অভিযান এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে।
গত বছর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবার হুতিদের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলা বাড়ান। সাত সপ্তাহের মার্কিন হামলার পর ওমান একটি সমঝোতা করাতে সক্ষম হয়। এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্র হুতিদের লক্ষ্য করে বোমা হামলা বন্ধ করবে এবং হুতিরা মার্কিন জাহাজে হামলা বন্ধ করবে। এই সমঝোতায় ইসরায়েল বা সৌদি আরবের বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল না। তবে কিছু সময়ের জন্য এতে পরিস্থিতিতে এক ধরনের শান্তি দেখা যায়।
এরপর গত সপ্তাহে পরিস্থিতির চালচিত্র আবার বদলে যায়। ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল বরাবর দ্রুত অভিযান চালিয়ে হুতি বাহিনী বাব এল-মান্দেব প্রণালির সরাসরি ওপর থেকে নজর রাখা যায় এমন নতুন কিছু এলাকা দখল করে। এরপর তারা মায়ুন দ্বীপে যাওয়ার পথও অতিক্রম করেছে বলে খবর পাওয়া যায়। দ্বীপটি পেরিম নামেও পরিচিত এবং বাব এল-মান্দেব প্রণালির মাঝখানে অবস্থিত।
সিএনএনের সাংবাদিক নিক রবার্টসন এর কিছুদিন আগে ওই এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন এবং এলাকাটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার ওপর প্রতিবেদন করেছিলেন। এখন হুতিদের প্রচলিত অস্ত্র, অর্থাৎ কামান ও রকেট দিয়েও জাহাজে হামলা চালানো সম্ভব। এর আগে তারা মূলত দূরপাল্লার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর নির্ভর করত।
এই মুহূর্তে জাহাজগুলো বাব এল-মান্দেব দিয়ে চলাচল করছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, হুতিরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতে যেতে চায় না বলে দাবি করছে এবং তারা জাহাজ চলাচল করতে দেবে। তবে হুতিদের আগামীকালই প্রণালিটি বন্ধ করে দিতে হবে, এমন নয়। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে জিম্মি করার সক্ষমতাই তেহরানকে অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগের একটি হাতিয়ার দেয়।
ইয়েমেনে যুদ্ধের সম্মুখসারির অবস্থান প্রায়ই বদলে যায়। খবর পাওয়া যাচ্ছে, ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী পাল্টা অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ওয়াশিংটন তাদের গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে পারে। মার্কিন সশস্ত্রবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে সম্প্রতি সৌদি আরব সফর করেছেন।
এরপর কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে একটি বিষয় হুতিরা আবারও বিশ্বকে মনে করিয়ে দিয়েছে—ইরানের সরাসরি সমর্থন নিয়ে তারা আঞ্চলিক ক্ষমতা ও প্রভাবের প্রতিযোগিতায় একটি অনিশ্চিত এবং গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে থাকার অবস্থানে রয়েছে।
জাতিসংঘের নতুন বিশ্ব মানচিত্র নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আয়তন তুলনামূলকভাবে আরও নির্ভুলভাবে তুলে ধরতে ‘ইকুয়াল আর্থ’ প্রজেকশন ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়ার পর ভারত, জাপান ও ইউক্রেন মানচিত্রে নিজেদের বিতর্কিত ভূখণ্ডের উপস্থাপন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে।
ইরানের চাপে একই সঙ্গে বাব এল-মানদেব ও হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী নভেম্বরের আগে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম কমাতে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়ছে। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলার বার্ষিকীর পাশাপাশি গত শুক্রবার
ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিদের ইয়েমেনে দ্রুত অগ্রযাত্রা এবং সৌদি আরবে একের পর এক হামলার ঘটনায় পাল্টা জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে খুব বেশি বিকল্প হাতে নেই সৌদি আরবের। যে পথই তারা বেছে নিক, প্রতিটির সঙ্গেই রয়েছে বড় ধরনের ঝুঁকি ও ব্যয়।
দৈনিক টার্গেট 
























