দেড় বছর পর ঢাকায় বাংলাদেশ-ভারত রেল বৈঠক আগামীকাল
-
দৈনিক টার্গেট - প্রকাশ: ০৬:৪৪:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- ২ বার পঠিত হয়েছে
দীর্ঘ দেড় বছরেরও বেশি সময়ের অনিশ্চয়তার পর বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত ৩৮তম ইন্টার গভর্নমেন্টাল রেলওয়ে মিটিং (আইজিআরএম) বা আন্তঃসরকারি রেলওয়ে বৈঠক শুরু হচ্ছে আগামীকাল। ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠক চলবে আগামীকাল ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
বৈঠকে দুই দেশের আন্তদেশীয় যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রেন পরিচালনা, সীমান্তবর্তী রেল সংযোগ সম্প্রসারণ, চলমান রেল প্রকল্প, আর্থিক পাওনা-দেনা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক ও কারিগরি বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি এবং ভারতের পক্ষে ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেবে এই বৈঠকে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে সবচেয়ে গুরুত্ব পাচ্ছে মৈত্রী, মিতালী ও বন্ধন এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর প্রস্তাব। এ ছাড়া বন্ধন এক্সপ্রেসে প্রান্ত-থেকে-প্রান্ত (এন্ড-টু-এন্ড) ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা চালু এবং পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস পরিচালনার বিষয়েও আলোচনা হবে।
আন্তদেশীয় যাত্রীসেবা বাড়াতে রাতের বেলায় ট্রেন পরিচালনা, যাত্রীবাহী ট্রেনে পার্সেল বুকিং সুবিধা চালু এবং রাজশাহী-কলকাতা রুটে নতুন যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে দুই দেশের রেলওয়ের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রেনের আদান-প্রদান বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আগে ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি পথে মিতালী এক্সপ্রেস, ঢাকা-কলকাতা পথে মৈত্রী এক্সপ্রেস এবং খুলনা-কলকাতা পথে বন্ধন এক্সপ্রেস চলাচল করত। রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই থেকে এসব ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
নৌপরিবহনমন্ত্রী জানান, গত ৩৫ বছরে নৌযানের বিরুদ্ধে দায়ের করা ৪৭ হাজার ৬০৬টি মামলার মধ্যে ৩৭ হাজার ৬৭১টি মামলা মেরিন কোর্টে বিচারের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে। বর্তমানে ৯ হাজার ৯৩৫টি নৌযানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তাঁর স্ত্রী রুকমীলা জামানের ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা, সম্পত্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রে থাকা কথিত অপরাধলব্ধ সম্পদ সম্পর্কে তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চাওয়া পারস্পরিক আইনি সহায়তা বা এমএলএআরের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল
দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ ৪১ হাজার ৮০৬টি পদের বিপরীতে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, চিকিৎসকের শূন্য পদের সংখ্যা ১১ হাজার ৪৯৫ টি।


























