আগাথা ক্রিস্টির ৫ তথ্য

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:৫৮:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

বাস্তব জীবনে ১১ দিন নিখোঁজ: ১৯২৬ সালে স্বামী বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পর আগাথা ক্রিস্টি রহস্যজনকভাবে ১১ দিনের জন্য নিখোঁজ হয়ে যান। তাঁর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা পুলিশ ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। হাজারখানেক পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক তাঁকে একটি হোটেলে অন্য নামে খুঁজে পেয়েছিলেন।

বিপুল বিক্রীত বই এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস: তিনি সর্বকালের বেশি বিক্রীত কল্পকাহিনি লেখিকা হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বজুড়ে তাঁর বইয়ের ২০০ কোটির বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। বাইবেল ও শেক্‌সপিয়ারের রচনার পরই তাঁর বিক্রীত বইয়ের অবস্থান।

বিষবিজ্ঞানে গভীর জ্ঞান: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি একজন ফার্মাসি অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছিলেন। সেখানে বিভিন্ন বিষ ও রাসায়নিক উপাদান সম্পর্কে তাঁর গভীর অভিজ্ঞতা তৈরি হয়। এই অভিজ্ঞতা তিনি পরে নিজের রহস্য উপন্যাসগুলোতে ব্যবহার করেন নিখুঁতভাবে।

সার্ফিংয়ের প্রতি ভালোবাসা: ১৯২০-এর দশকে আগাথা ক্রিস্টি এবং তাঁর স্বামী দক্ষিণ আফ্রিকা ও হাওয়াই ভ্রমণে গিয়ে সার্ফিং শেখেন। তিনি প্রথম ব্রিটিশ নারীদের একজন, যিনি দাঁড়িয়ে সার্ফিং করা শিখেছিলেন।

অন্য নামে রোমান্টিক উপন্যাস লেখা: শুধু থ্রিলার ও গোয়েন্দা গল্পই নয়, তিনি মেরি ওয়েস্টম্যাকট ছদ্মনামে ৬টি রোমান্টিক ও নাটকীয় উপন্যাসও লিখেছিলেন। বহু বছর ধরে তাঁর ভক্তরা জানতেনই না, এগুলোও তাঁর লেখা।

গাজায় প্রতিদিন মানুষ মারা যাচ্ছে। ধ্বংসস্তূপে সন্তানকে বুকে জড়িয়ে কান্না করছেন মা। লাখো মানুষ অবরোধের মধ্যে খাদ্য এবং ওষুধের জন্য লড়াই করছে। এদিকে আরেকটি যুদ্ধ চলছে ডিজিটাল দুনিয়ায়। সেটি অস্ত্রের নয়, এই যুদ্ধের কেন্দ্রে রয়েছে একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন—পশ্চিমা নারীবাদ কি সব নারীর জন্য সমানভাবে কথা…

গ্রিক বংশোদ্ভূত আনাস্তাসিয়া ১৫ বছর বয়সে দাসী হিসেবে ইস্তাম্বুলের তোপকাপি প্রাসাদে আসেন। রূপ ও বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হয়ে সুলতান প্রথম আহমেদ তাঁকে গ্রহণ করেন এবং নতুন নাম দেন কোসেম। রাজপ্রাসাদে নিজের অবস্থান শক্ত করে ১৬০৫ থেকে ১৬১৭ সাল পর্যন্ত তিনি হাসেকি সুলতান বা সুলতানের প্রিয় স্ত্রী হিসেবে….

নারী অধিকারের অন্যতম মৌলিক সনদ বলা হয় সিইডিএডব্লিউ বা সিডওকে। বর্তমানে বিশ্বের ১৮৯টি দেশ জাতিসংঘ ঘোষিত এই সনদে স্বাক্ষর বা সম্মতি দিয়েছে। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ হাতে গোনা কয়েকটি দেশ এখন পর্যন্ত এই সনদের পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন দেয়নি।

জনপ্রিয় টার্গেট

আগাথা ক্রিস্টির ৫ তথ্য

প্রকাশ: ০৭:৫৮:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাস্তব জীবনে ১১ দিন নিখোঁজ: ১৯২৬ সালে স্বামী বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পর আগাথা ক্রিস্টি রহস্যজনকভাবে ১১ দিনের জন্য নিখোঁজ হয়ে যান। তাঁর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা পুলিশ ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। হাজারখানেক পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক তাঁকে একটি হোটেলে অন্য নামে খুঁজে পেয়েছিলেন।

বিপুল বিক্রীত বই এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস: তিনি সর্বকালের বেশি বিক্রীত কল্পকাহিনি লেখিকা হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বজুড়ে তাঁর বইয়ের ২০০ কোটির বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। বাইবেল ও শেক্‌সপিয়ারের রচনার পরই তাঁর বিক্রীত বইয়ের অবস্থান।

বিষবিজ্ঞানে গভীর জ্ঞান: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি একজন ফার্মাসি অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছিলেন। সেখানে বিভিন্ন বিষ ও রাসায়নিক উপাদান সম্পর্কে তাঁর গভীর অভিজ্ঞতা তৈরি হয়। এই অভিজ্ঞতা তিনি পরে নিজের রহস্য উপন্যাসগুলোতে ব্যবহার করেন নিখুঁতভাবে।

সার্ফিংয়ের প্রতি ভালোবাসা: ১৯২০-এর দশকে আগাথা ক্রিস্টি এবং তাঁর স্বামী দক্ষিণ আফ্রিকা ও হাওয়াই ভ্রমণে গিয়ে সার্ফিং শেখেন। তিনি প্রথম ব্রিটিশ নারীদের একজন, যিনি দাঁড়িয়ে সার্ফিং করা শিখেছিলেন।

অন্য নামে রোমান্টিক উপন্যাস লেখা: শুধু থ্রিলার ও গোয়েন্দা গল্পই নয়, তিনি মেরি ওয়েস্টম্যাকট ছদ্মনামে ৬টি রোমান্টিক ও নাটকীয় উপন্যাসও লিখেছিলেন। বহু বছর ধরে তাঁর ভক্তরা জানতেনই না, এগুলোও তাঁর লেখা।

গাজায় প্রতিদিন মানুষ মারা যাচ্ছে। ধ্বংসস্তূপে সন্তানকে বুকে জড়িয়ে কান্না করছেন মা। লাখো মানুষ অবরোধের মধ্যে খাদ্য এবং ওষুধের জন্য লড়াই করছে। এদিকে আরেকটি যুদ্ধ চলছে ডিজিটাল দুনিয়ায়। সেটি অস্ত্রের নয়, এই যুদ্ধের কেন্দ্রে রয়েছে একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন—পশ্চিমা নারীবাদ কি সব নারীর জন্য সমানভাবে কথা…

গ্রিক বংশোদ্ভূত আনাস্তাসিয়া ১৫ বছর বয়সে দাসী হিসেবে ইস্তাম্বুলের তোপকাপি প্রাসাদে আসেন। রূপ ও বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হয়ে সুলতান প্রথম আহমেদ তাঁকে গ্রহণ করেন এবং নতুন নাম দেন কোসেম। রাজপ্রাসাদে নিজের অবস্থান শক্ত করে ১৬০৫ থেকে ১৬১৭ সাল পর্যন্ত তিনি হাসেকি সুলতান বা সুলতানের প্রিয় স্ত্রী হিসেবে….

নারী অধিকারের অন্যতম মৌলিক সনদ বলা হয় সিইডিএডব্লিউ বা সিডওকে। বর্তমানে বিশ্বের ১৮৯টি দেশ জাতিসংঘ ঘোষিত এই সনদে স্বাক্ষর বা সম্মতি দিয়েছে। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ হাতে গোনা কয়েকটি দেশ এখন পর্যন্ত এই সনদের পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন দেয়নি।