দিনে ও রাতে ত্বকের ধরন বুঝে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এতে যেন নিয়াসিনামাইড, গ্লিসারিন, ল্যানোলিন ও ভিটামিন সি থাকে তা দেখে কিনুন। এগুলো ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখে। সপ্তাহে এক দিন রাতে হাইড্রেটিং মাস্ক ব্যবহার করুন। দিনের বেলায় সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বক রক্ষা করতে অবশ্যই ৫০+ এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
শরতে অনেকের ত্বক শুষ্ক হয়ে চামড়া উঠে যাচ্ছে। তাই মাইল্ড ফেসওয়াশ ও সাবান ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত ক্ষারযুক্ত সামগ্রী ত্বকের আর্দ্রতা কেড়ে নিয়ে ত্বক শুষ্ক করে তোলে।
দিনের বেলায় ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করে টোনার ব্যবহার করুন। এরপর সানস্ক্রিন ও ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। আর রাতে ত্বক ভালো করে পরিষ্কার করে ময়শ্চারাইজার দিন। বাইরে থেকে এসে ঠান্ডা পানি দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নিন, এতে ত্বক শীতল হবে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ময়শ্চারাইজার ব্যবহারের চেষ্টা করুন।
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে পর্যাপ্ত পানি পানের সঙ্গে সঙ্গে আপনার খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন। এই গরমে অতিরিক্ত তেল-চর্বি এবং গুরুপাক খাবার খাওয়া বাদ দিন। খাদ্যতালিকায় শসা, লাউ, লেবু, বিভিন্ন শাক, মাছ, মুরগি, বিভিন্ন রকম ফলমূল ও শুকনো ফল রাখুন। এগুলোতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খনিজ, যা ত্বক শুষ্ক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। তা ছাড়া মিষ্টিআলু খেতে পারেন। এতে থাকা ভিটামিন এ ও বিটা ক্যারোটিন ত্বকের পানি ধরে রাখে। অতিরিক্ত লবণ ও চিনিযুক্ত খাবার ত্বক শুষ্ক করে তোলে। তাই ত্বক আর্দ্র রাখতে বিভিন্ন চিপস, মিষ্টি, শর্করাজাতীয় খাবার ও কফি বাদ দিন।
গোসলের সময় গরম পানির ব্যবহার বাদ দিন। গরম পানি ত্বকের আর্দ্রতা কেড়ে নিয়ে শুষ্ক করে তোলে। এই প্রচণ্ড গরমে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি দিয়েই গোসল সারুন। এতে শরীর শীতল থাকবে।
মধু ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। মধুর সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে ঘাড়, হাত ও মুখে লাগাতে পারেন। গরমে ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, ই, বিভিন্ন মিনারেল এবং অ্যামিনো অ্যাসিড। তাই ত্বক আর্দ্র রাখতে অ্যালোভেরার বিভিন্ন প্যাক ব্যবহার করুন। এ ছাড়া ত্বকে গোলাপজল, গ্লিসারিন ও অলিভ অয়েলের মতো প্রাকৃতিক উপাদানগুলো ব্যবহার করুন।
ভুটানকে আমার মনে হয় এই উপমহাদেশের স্বর্গভূমি। যদিও সবাই কাশ্মীরকে ভূস্বর্গ বলে থাকেন। আমি এ পর্যন্ত তিনবার ভুটানে গিয়েছি। পারলে আরও অনেকবার যেতে চাই । তবে হ্যাঁ, পর্যটক হিসেবে আপনি যদি শপিং মল খোঁজেন বা নাইটক্লাবে সন্ধ্যা কাটাতে চান, তবে ভুটান আপনার জন্য নয়।
দক্ষিণ কোরিয়া বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সিউলের রাজপ্রাসাদ, জেজু দ্বীপের আগ্নেয়গিরির প্রাকৃতিক দৃশ্য কিংবা পাহাড়ি ট্রেইল। তবে দেশটির সাম্প্রতিক পর্যটনচিত্রে এসেছে এক অদ্ভুত পরিবর্তন। জেজু দ্বীপের শান্ত ও নির্জন সৈকতে পর্যটকদের দীর্ঘ সারি খুবই সাধারণ দৃশ্য।
এক বছর হওয়ার আগে সন্তান নিয়ে বিমানযাত্রা না করাই ভালো। তবে এর আগে যদি জরুরি কোনো কাজে বিমানে চড়তেই হয়, তাহলে সতর্ক থাকতে হবে। ভ্রমণের আগে মানসিক প্রস্তুতি তো নেবেনই, সঙ্গে আরও কয়েকটি বিষয় মনে রাখলে সফর অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।
দৈনিক টার্গেট 
























