ঘুমের সময় চুল পড়া কমাবে যে ৭টি অভ্যাস

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত হয়েছে

ঘুমের মধ্যে আমরা বারবার পাশ ফিরি। ফলে চুল ও বালিশের মধ্যে দীর্ঘ সময় ঘর্ষণ হয়। তুলার কাপড় তুলনামূলকভাবে বেশি রুক্ষ এবং আর্দ্রতা শোষণ করে নেয়। এতে চুলের ওপর যান্ত্রিক চাপ তৈরি হয়ে চুল ভেঙে যেতে পারে। সিল্ক বা সাটিনের বালিশের কভার মসৃণ হওয়ায় চুল সহজে পিছলে যেতে পারে। ফলে ঘর্ষণ ও জট কমানোর পাশাপাশি চুলের ভাঙন কিছুটা কমাতে সাহায্য করে।

গোসলের পর চুল শুকানোর আগেই বিছানায় চলে যাওয়া অনেকের অভ্যাস। কিন্তু ভেজা অবস্থায় চুল তুলনামূলক দুর্বল থাকে। পানিতে চুলের শ্যাফট ফুলে যায় এবং তখন সহজে টান লেগে বা ঘর্ষণে চুল ভেঙে যেতে পারে। এ ছাড়া দীর্ঘ সময় ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে অবস্থায় থাকলে মাথার ত্বকে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। তাই ঘুমানোর আগে চুল পুরোপুরি শুকিয়ে নেওয়া ভালো। প্রয়োজনে স্বাভাবিকভাবে শুকাতে দিন কিংবা কম তাপমাত্রায় হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করতে পারেন।

ঘুমানোর সময় শক্ত পনিটেইল, খোঁপা বা শক্ত করে বেণি বাঁধলে চুলের গোড়ায় দীর্ঘ সময় টান পড়ে। নিয়মিত এমন করলে চুল দুর্বল হয়ে ভেঙে যেতে পারে। ঘুমানোর সময় চুল খোলা রাখতে অস্বস্তি হলে ঢিলেঢালা বেণি বা নিচু করে আলগা পনিটেইল করতে পারেন।

ঘুমানোর আগে কয়েক মিনিট আঙুলের ডগা দিয়ে মাথার ত্বকে আলতোভাবে ম্যাসাজ করা আরামদায়ক। হালকা ম্যাসাজ মাথার ত্বকে রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। তবে ম্যাসাজের সময় জোরে চুল টানা বা নখ দিয়ে মাথার ত্বক ঘষা উচিত নয়। এতে চুলের গোড়া ও মাথার ত্বকে চাপ পড়তে পারে।

শুষ্ক পরিবেশে মাথার ত্বকও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় এসি চালিয়ে ঘুমালে কারও কারও মাথার ত্বকে শুষ্কতা বা অস্বস্তি বাড়তে পারে। প্রয়োজনে ঘরের আর্দ্রতা ঠিক রাখতে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন। তবে মাথার ত্বকে অতিরিক্ত তেল, ভারী পণ্য বা যেকোনো সেরাম ব্যবহার করার আগে নিজের চুল ও মাথার ত্বকের ধরন বিবেচনা করা জরুরি।

চুলের যত্নে সেরাম বা অন্যান্য পণ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে রাতে একসঙ্গে অনেক ধরনের পণ্য ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। চুলের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত সেরাম ব্যবহার চুলের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে।

শুধু বালিশের কভার বদলালেই চুলের যত্ন সম্পূর্ণ হয় না। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ঘুমের ঘাটতি বা অনিয়মিত ঘুম শরীরের স্ট্রেস প্রতিক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে, যা চুলের বৃদ্ধির চক্রে প্রভাব ফেলে। তাই প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন এবং সম্ভব হলে ঘুম ও জাগার সময়টাও নিয়মিত রাখুন।

ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন (১২-১৩ সেপ্টেম্বর) উপলক্ষে বিশ্বনেতাদের অভ্যর্থনা জানাতে সেজে উঠেছে দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লি। সম্মেলনের মূল ভেনু ভারত মণ্ডপম হলেও অতিথিরা অবস্থান করবেন তাজমহল, দ্য লীলা প্যালেস, দ্য ললিতসহ বিভিন্ন পাঁচতারকা হোটেলে…

জীবনের জটিল সমীকরণে যখন চারপাশের সবকিছু অন্ধকার মনে হয়, তখন আত্মহত্যার মতো একটি ক্ষণিকের সিদ্ধান্ত নিভে দেয় বহু সম্ভাবনাময় দীপ। এটি কেবল একজন ব্যক্তির জীবনাবসান নয়, বরং এক গভীর বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সংকট। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি ৪০ সেকেন্ডে পৃথিবী থেকে ঝরে যায় একটি মূল্যবান প্রাণ।

ভাদ্র মাসের গরম মানেই প্রচণ্ড তাপ আর ঘাম। এ সময়ের গরমটা একটু অন্য রকম। ঘেমে যাওয়ার পর যখন হাত-মুখ ধুচ্ছেন, তখনই একটা শুষ্ক টানটান ভাব ত্বকে অনুভূত হয়। এভাবে অনেকের ত্বক শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে, ঠোঁট ফেটে যাচ্ছে এবং ত্বকে টান ধরছে। ভাদ্র মাসের গরমে তাই ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে নিতে হবে বাড়তি সতর্কতা।

জনপ্রিয় টার্গেট

সমর্থন প্রত্যাহার করে এবার ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ফ্রান্স

ঘুমের সময় চুল পড়া কমাবে যে ৭টি অভ্যাস

প্রকাশ: ১১:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘুমের মধ্যে আমরা বারবার পাশ ফিরি। ফলে চুল ও বালিশের মধ্যে দীর্ঘ সময় ঘর্ষণ হয়। তুলার কাপড় তুলনামূলকভাবে বেশি রুক্ষ এবং আর্দ্রতা শোষণ করে নেয়। এতে চুলের ওপর যান্ত্রিক চাপ তৈরি হয়ে চুল ভেঙে যেতে পারে। সিল্ক বা সাটিনের বালিশের কভার মসৃণ হওয়ায় চুল সহজে পিছলে যেতে পারে। ফলে ঘর্ষণ ও জট কমানোর পাশাপাশি চুলের ভাঙন কিছুটা কমাতে সাহায্য করে।

গোসলের পর চুল শুকানোর আগেই বিছানায় চলে যাওয়া অনেকের অভ্যাস। কিন্তু ভেজা অবস্থায় চুল তুলনামূলক দুর্বল থাকে। পানিতে চুলের শ্যাফট ফুলে যায় এবং তখন সহজে টান লেগে বা ঘর্ষণে চুল ভেঙে যেতে পারে। এ ছাড়া দীর্ঘ সময় ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে অবস্থায় থাকলে মাথার ত্বকে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। তাই ঘুমানোর আগে চুল পুরোপুরি শুকিয়ে নেওয়া ভালো। প্রয়োজনে স্বাভাবিকভাবে শুকাতে দিন কিংবা কম তাপমাত্রায় হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করতে পারেন।

ঘুমানোর সময় শক্ত পনিটেইল, খোঁপা বা শক্ত করে বেণি বাঁধলে চুলের গোড়ায় দীর্ঘ সময় টান পড়ে। নিয়মিত এমন করলে চুল দুর্বল হয়ে ভেঙে যেতে পারে। ঘুমানোর সময় চুল খোলা রাখতে অস্বস্তি হলে ঢিলেঢালা বেণি বা নিচু করে আলগা পনিটেইল করতে পারেন।

ঘুমানোর আগে কয়েক মিনিট আঙুলের ডগা দিয়ে মাথার ত্বকে আলতোভাবে ম্যাসাজ করা আরামদায়ক। হালকা ম্যাসাজ মাথার ত্বকে রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। তবে ম্যাসাজের সময় জোরে চুল টানা বা নখ দিয়ে মাথার ত্বক ঘষা উচিত নয়। এতে চুলের গোড়া ও মাথার ত্বকে চাপ পড়তে পারে।

শুষ্ক পরিবেশে মাথার ত্বকও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় এসি চালিয়ে ঘুমালে কারও কারও মাথার ত্বকে শুষ্কতা বা অস্বস্তি বাড়তে পারে। প্রয়োজনে ঘরের আর্দ্রতা ঠিক রাখতে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন। তবে মাথার ত্বকে অতিরিক্ত তেল, ভারী পণ্য বা যেকোনো সেরাম ব্যবহার করার আগে নিজের চুল ও মাথার ত্বকের ধরন বিবেচনা করা জরুরি।

চুলের যত্নে সেরাম বা অন্যান্য পণ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে রাতে একসঙ্গে অনেক ধরনের পণ্য ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। চুলের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত সেরাম ব্যবহার চুলের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে।

শুধু বালিশের কভার বদলালেই চুলের যত্ন সম্পূর্ণ হয় না। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ঘুমের ঘাটতি বা অনিয়মিত ঘুম শরীরের স্ট্রেস প্রতিক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে, যা চুলের বৃদ্ধির চক্রে প্রভাব ফেলে। তাই প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন এবং সম্ভব হলে ঘুম ও জাগার সময়টাও নিয়মিত রাখুন।

ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন (১২-১৩ সেপ্টেম্বর) উপলক্ষে বিশ্বনেতাদের অভ্যর্থনা জানাতে সেজে উঠেছে দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লি। সম্মেলনের মূল ভেনু ভারত মণ্ডপম হলেও অতিথিরা অবস্থান করবেন তাজমহল, দ্য লীলা প্যালেস, দ্য ললিতসহ বিভিন্ন পাঁচতারকা হোটেলে…

জীবনের জটিল সমীকরণে যখন চারপাশের সবকিছু অন্ধকার মনে হয়, তখন আত্মহত্যার মতো একটি ক্ষণিকের সিদ্ধান্ত নিভে দেয় বহু সম্ভাবনাময় দীপ। এটি কেবল একজন ব্যক্তির জীবনাবসান নয়, বরং এক গভীর বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সংকট। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি ৪০ সেকেন্ডে পৃথিবী থেকে ঝরে যায় একটি মূল্যবান প্রাণ।

ভাদ্র মাসের গরম মানেই প্রচণ্ড তাপ আর ঘাম। এ সময়ের গরমটা একটু অন্য রকম। ঘেমে যাওয়ার পর যখন হাত-মুখ ধুচ্ছেন, তখনই একটা শুষ্ক টানটান ভাব ত্বকে অনুভূত হয়। এভাবে অনেকের ত্বক শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে, ঠোঁট ফেটে যাচ্ছে এবং ত্বকে টান ধরছে। ভাদ্র মাসের গরমে তাই ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে নিতে হবে বাড়তি সতর্কতা।