কিন্তু কেন হুট করে বর্তমান সময়ের মানুষ অতীতে ডুব দিতে চাইছে? কেন এত জনপ্রিয় হয়ে উঠল এই নস্টালজিক ট্রেন্ড? মনোবিজ্ঞান বলছে, এই নস্টালজিয়া বা অতীতের প্রতি ব্যাকুলতা স্রেফ একটি হালকা আবেগ নয়, এর পেছনে রয়েছে গভীর মানসিক প্রক্রিয়া। কী সেটা?
আমরা যখন পুরোনো দিনের কোনো গান শুনি, কোনো পরিচিত সুগন্ধ পাই কিংবা রেট্রো ফিল্টারে ছবি দেখি, তখন তা আমাদের মস্তিষ্কে বিশেষ প্রভাব ফেলে। গবেষকেরা বলছেন, ‘নস্টালজিক মুহূর্তগুলো মস্তিষ্কের আবেগময় অংশকে সক্রিয় করে। এতে ডোপামিন ও অক্সিটোসিনের মতো হরমোন নিঃসৃত হয়। এগুলো আমাদের মন ভালো রাখতে এবং সুরক্ষার অনুভূতি তৈরিতে সাহায্য করে।’
এ ছাড়া মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, রেট্রো ছবি বা পুরোনো স্মৃতিগুলো আমাদের জন্য একধরনের ‘ট্রানজিশনাল অবজেক্ট’ বা আবেগের বাহক হিসেবে কাজ করে। এগুলো আমাদের ফেলে আসা নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত জীবনের সঙ্গে পুনরায় যুক্ত করে। মানুষ যখন একাকিত্ব বা নেতিবাচক মানসিকতায় ভোগে, তখন অবচেতনভাবেই নস্টালজিয়ার শরণাপন্ন হয়।
গবেষণায় আরও দেখা যায়, মানুষ সাধারণত কৈশোর ও তারুণ্যের প্রথম অভিজ্ঞতাগুলো সবচেয়ে স্পষ্ট মনে রাখে। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘রেমিনিসেন্স বাম্প’। এ কারণেই ৯০ দশক বা ২০০০ সালের শুরুর দিকের স্টাইল ও ফ্যাশন বারবার ট্রেন্ডে ফিরে আসে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, সাইকোলজি টুডে
চিকেন তাজিন হলো উত্তর আফ্রিকা, বিশেষ করে মরক্কোর একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার। মুরগির মাংসের এই খাবার তার অনন্য রান্নার পাত্র ও সুগন্ধি মসলার মিশ্রণের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। এই সুস্বাদু পদের ইতিহাস মূলত বহু সংস্কৃতির সংমিশ্রণ এবং প্রাচীন যাযাবর জীবনযাত্রার বিবর্তনের এক চমৎকার উদাহরণ। বলা হয়, এই খাবারের…
সংগীত ও অভিনয়ে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে গাগার ঝুলিতে রয়েছে একাধিক গ্র্যামি, অস্কার, গোল্ডেন গ্লোব ও বাফটা পুরস্কার। শিল্পীজীবনের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কাজেও দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় তিনি। ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘বর্ন দিস ওয়ে ফাউন্ডেশন’। এত কিছুর পরেও গাগা চল্লিশ বছর বয়সে তরতাজা আছেন কীভাবে…
এর মধ্যে একটুও ফুরসত পাননি। সেপ্টেম্বরে এসে সহকর্মীরা মিলে পরিকল্পনা করলেন, সপ্তাহ শেষে সবাই মিলে মিনি ট্যুর দিয়ে ফেলবেন। হাতে সময় বেশ কম। অথচ দ্রুত প্যাক করে ফেলতে হবে স্টাইলিশ সব কাপড়। নয়তো ভালো ছবি আসবে কী করে!
দৈনিক টার্গেট 
























