বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও দুপুরের আগ থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড় জমে। প্রতিযোগিতা শুরুর পর নদীর দুই তীর লোকারণ্য হয়ে ওঠে। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ৯টি নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
জেলা শহরের শিমরাইলকান্দি থেকে মেড্ডা এলাকা পর্যন্ত তিতাস নদীর অংশে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বাহারি রঙের নৌকায় সুদক্ষ মাঝিদের বইঠার ছন্দে উত্তেজনায় মেতে ওঠেন তিতাস পাড়ের মানুষ। নদীর দুই তীরে দাঁড়িয়ে প্রতিযোগিতা উপভোগের পাশাপাশি প্রিয় দলকে সমর্থন জানান দর্শনার্থীরা।
দর্শনার্থী জাকির হোসেন বলেন, ‘নৌকাবাইচ আমাদের প্রাণের উৎসব। আমি ঢাকায় ছিলাম। বাইচ দেখতে আজ সকালে অনেক কষ্ট করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসেছি।’
আরেক দর্শনার্থী লোকমান মিয়া বলেন, ‘নৌকাবাইচকে ঘিরে তিতাস পাড়ের মানুষের মাঝে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। গোটা ব্রাহ্মণবাড়িয়া আজ উৎসবমুখর। আমরা আনন্দিত। আমরা চাই প্রতি বছর এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হোক।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ বলেন, ‘নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা এখানকার মানুষের প্রাণের উৎসব। আগামী বছর থেকে আরও জমজমাটভাবে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে।’
পরে বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি নাদিয়া পাঠান পাবন, জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শরিফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রঞ্জন চন্দ্র দে, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসেন, জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জহিরুল হক ও সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর ভয়াবহ ভাঙনে একের পর এক বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে আটটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আরও কয়েকটি বিদ্যালয় রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে। ভবন হারিয়ে কোথাও খোলা আকাশের নিচে, আবার কোথাও ছাপড়ার নিচে চলছে শিশুদের পাঠদান। এতে
মা ফাতেমা বেগম বলেন, আমার ছেলে এনামুল যদি দোষী হয়ে থাকে, আমরা তার বিচার চেয়েছিলাম। কিন্তু সাড়ে ১৩ বছরেও তার অপরাধের কোনো প্রমাণ পাওয়া গেল না। শুধু সন্দেহের কারণে আমার ছেলে কারাবন্দী রেখে আমাদের পরিবারটাকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। এখন তাঁকে মুক্তি দেওয়া হোক। সাগর-রুনি হত্যার অপবাদ থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।
‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল সরকারি পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়, সর্বসাধারণের ব্যক্তিগত সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বাসাবাড়ির ফুলের টব, ডাবের খোসা, ব্যবহৃত পাত্র বা পরিত্যক্ত টায়ারে যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।’
দৈনিক টার্গেট 





















