আজ শনিবার রাজধানীর বছিলা পুলিশ লাইনসে মোহাম্মদপুরের নাগরিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক বিশেষ মতবিনিময় সভায় ডিএমপি কমিশনার এসব কথা বলেন। এ সময় মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকার নাগরিকদের বক্তব্যে কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাইকে মোহাম্মদপুরের প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন ডিএমপি কমিশনার।
ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানিয়ে মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ছিনতাইকারীর হাতে ছুরি, অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র, চাপাতি অথবা দেশি অস্ত্র—যে ধরনের অস্ত্রই থাকুক, সেই অস্ত্র দিয়ে যদি কারও ওপর আক্রমণ করতে যায় বা কারও ব্যাগ ছিনতাই করতে যায়, সে পুলিশ হোক বা সাধারণ মানুষ—তার বিরুদ্ধে আইনিভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কমিশনার বলেন, ‘ঠিক যেখানে আমাদের অস্ত্র প্রয়োগ করার প্রয়োজন হবে, সেখানে তাদের বিরুদ্ধে আইনিভাবে আমরা অস্ত্র প্রয়োগ করব।’
মাদকের বিরুদ্ধেও অভিযান জোরদারের ঘোষণা দেন মোসলেহ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযান প্রতিদিন ও প্রতি সপ্তাহে চলবে। মোহাম্মদপুরের মাদকের স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। সেই তালিকা ধরে অভিযান চালানো হচ্ছে।’
মোহাম্মদপুরের প্রতিটি মাদক স্পটে অভিযান আরও জোরালো করতে পুলিশের সদস্যদের নির্দেশ দেন তিনি। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে।’
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী থেকে রংপুরে কাজের উদ্দেশে বের হন মতিউর রহমান (২৬)। পরে আজ বিকেলে রংপুরের কাউনিয়ায় একটি বেইলি ব্রিজের নিচে পানিতে অচেতন অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। হাসপাতালে নেওয়ার পর পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর পরিচয় শনাক্ত করে।
পরিবারের দাবি, ঘটনার সময় হৃদয় স্বাভাবিক গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে আসছিলেন। পেছন থেকে একটি রাইডার গ্রুপ এসে তাঁর মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
দৈনিক টার্গেট 





















