নিহত তৌফিক মিয়া গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে। তিনি ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে ২০২৩ সালে এসএসসি পাস করেন।
তৌফিকের মৃত্যুর বিষয়টি মঙ্গলবার রাতে নিশ্চিত করেন তাঁর বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রদীপ কুমার। তিনি বলেন, তৌফিক একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। বাবা মারা যাওয়ার পর পরিবারের অভাব ঘোচাতে তিনি ঢাকায় যান এবং একটি গার্মেন্টসে কাজ শুরু করেন। মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনে আহত হওয়ার পর থেকে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে আইসিইউতে থাকা অবস্থায় তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আন্দোলনের সময় ভিডিও ধারণ করতে গেলে তৌফিক হামলার শিকার হন। পরে হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তবে কে বা কারা হামলা করেছে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি পুলিশের এই কর্মকর্তা।

দৈনিক টার্গেট 























