বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয় চলাকালে নির্ধারিত পোশাক পরিহিত অবস্থায় এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ওই ছাত্রী টিকটকের জন্য আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি ধারণ করে। পরে সেগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়। এতে বিদ্যালয়ের সুনাম, ভাবমূর্তি ও পবিত্রতা ক্ষুণ্ন হয়েছে। বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির তদন্ত এবং শিক্ষার্থীর নিজের স্বীকারোক্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এরপরও বিদ্যালয়ের আচরণবিধি পরিপন্থী এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশ ও পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্তে ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ৩ নভেম্বর থেকে বিদ্যালয়ের সঙ্গে তার শিক্ষার্থী হিসেবে সব ধরনের সম্পর্কের অবসান ঘটানো হয়েছে।
একই বিজ্ঞপ্তিতে ভবিষ্যতে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, ঐতিহ্য ও গৌরব অক্ষুণ্ন রাখতে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভীন আক্তার বলেন, ‘এর আগেও ওই ছাত্রীকে কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু এরপরও সে একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ায় বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্তে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

দৈনিক টার্গেট 























