আজ বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরার আমলি তৃতীয় আদালতের বিচারক নুসরাত জাহান এ আদেশ দেন। সাদিকুল ইসলাম দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া শেখপাড়ার শওকত আলীর ছেলে। তিনি পারুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দেবহাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল আমিন জানান, গত ২৮ অক্টোবর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন সাদিকুল। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজ বৃহস্পতিবার পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আগামী রোববার দুপুর ১২টার মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ‘ধর্ম অবমাননার’ অভিযোগকে কেন্দ্র করে গত ১২ অক্টোবর সন্ধ্যায় স্থানীয় জামায়াত কার্যালয়ের সামনে থেকে একদল লোক শামীমের বাড়িতে হামলা চালায়। পরদিন ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় কুলিয়ার ডা. এম এ সবুরের ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর ওপর হামলা হয়। পরে পারুলিয়া থেকে মিছিল নিয়ে একদল লোক সখীপুর হাসপাতালের পেছনের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পুলিশ, আনসার ও চিকিৎসকদের উপস্থিতিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুল জলিল বাদী হয়ে ১৫ অক্টোবর দেবহাটা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ফজলুল হক আমিনী, সাদিকুল ইসলাম ভদু, মোক্তার খান ও আসাদুল মোল্লাসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় এর আগে মোক্তার খান, আসাদুল মোল্লা ও ফজলুল হক আমিনীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

দৈনিক টার্গেট 























