২৭ রানে ৩ উইকেট হারানো ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উদ্ধার করেন উইকহাম-আমির জাঙ্গু। চতুর্থ উইকেটে তাঁরা (উইকহাম-জাঙ্গু) ২৫১ বলে ১৩১ রানের জুটি গড়েন। তাসকিনের মতে অভিষেকে ফিফটি করে উইকহাম একটু বেশিই রোমাঞ্চিত। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ পেসার বলেন, ‘সে খুব এক্সাইটেড। আজকে তার অভিষেক ম্যাচে। তো ডেব্যু হিসেবে ও রান পাইছে, এজন্য খুব এক্সাইটেড। এজন্য অনেক কিছু বলতে পারে। ঠিকই আছে।’
বোলাররা ধারাবাহিকভাবেই সফল। কিন্তু ব্যাটারদের ব্যর্থতায় একের পর এক ম্যাচ হেরে চলেছে বাংলাদেশ। মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে সম্প্রতি প্রথম ইনিংসে ৫১ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে গুটিয়ে যায় ২৭২ রানে। দুর্দান্ত বোলিংয়ে ২৭ রানের লিড পেয়েও দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৪২ রান করতে পারে বাংলাদেশ। বোলাররা যেখানে ধারাবাহিক, ব্যাটাররা ঠিক তাঁদের উল্টো।
ব্যাটার-বোলারদের মাঝে কেন এমন বৈপরীত্য—আজ সংবাদ সম্মেলনে তাসকিনের কাছে জিজ্ঞেস করা হয়েছে এই প্রশ্ন। উত্তরে ৩১ বছর বয়সী বাংলাদেশের পেসার বলেন, ‘আমরা যে জিনিসটা পেস বোলিং বা ওভারঅল বোলিং ইউনিট যেটা করি, সবাই সবার সঙ্গে সফলতার গল্প এবং যে প্রক্রিয়ায় সফলতা পাচ্ছে, ধারাবাহিকভাবে খেলছে, সেই জিনিসগুলো আমরা শেয়ার করি একে অপরের সঙ্গে। মানে আমার একটা কথাতে সতীর্থদের উপকার হতে পারে। আমরা সেটা বিশ্বাসও করি। কারও মধ্যে ওই জিনিসটা নাই যে আমি এই জিনিসটা ওকে বললে ও তো জেনে যাচ্ছে। আসলে এই জিনিসগুলো বোলিং ইউনিটের মধ্যে কাজ করে না। আমি নিশ্চিত ব্যাটাররাও সেটা করছে। হয়তো একটু বাজে সময় যাচ্ছে। তবে আশা করছি, খুব দ্রুত তারা ঘুরে দাড়াবে এবং ইনশা অল্লাহ এই টেস্ট ম্যাচ দিয়েই করবে।’
জাঙ্গু আজ দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। এখন পর্যন্ত ১১১ রানে অপরাজিত। জাস্টিন গ্রিভস ৩৫ রানে ব্যাটিং করছেন। বাংলাদেশের হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।

দৈনিক টার্গেট 
























