কুমিল্লায় বোন-ভাতিজা হত্যা: ট্রেন থেকে মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:১১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত হয়েছে

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জায়গা নিয়ে খালেদা আক্তার ও তাঁর ভাই মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়ার পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মুরাদনগরে খালেদা আক্তার (৭০) ও তাঁর ভাতিজা মনজুরুল আলম তুতুর (৩৫) ওপর হামলা করা হয়। এ সময় দা দিয়ে কুপিয়ে তাঁদের হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতদের স্বজন নাসিম হায়দার সুজন বাদী হয়ে মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়া, হনুফা বেগম ও ইতি আক্তারের নাম উল্লেখ করে মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা হওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর বাদশা মিয়া বাজার এলাকা থেকে হনুফা বেগম ও ইতি আক্তারকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল আসামি আবু মিয়ার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি চলন্ত ট্রেন থেকে মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার তিনজনই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার তিন আসামিকে বুধবার কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শামছুল ইসলাম মন্টু আরও বলেন, কোনো বিচারক আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে পারেন না। দাবিগুলো যৌক্তিক হওয়ায় আইনজীবীদের সম্মতিতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।

দেয়ালে সাঁটানো পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘আসন্ন ১ নম্বর সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি গাঁজার ডিলার (খোকন) চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছি। আমি কথা দিচ্ছি, আমি চেয়ারম্যান হিসেবে জয়ী হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেব।’

জনপ্রিয় টার্গেট

আবারও ভারতে ফিরছে আইপিএল নিলাম

কুমিল্লায় বোন-ভাতিজা হত্যা: ট্রেন থেকে মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশ: ০৩:১১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জায়গা নিয়ে খালেদা আক্তার ও তাঁর ভাই মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়ার পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মুরাদনগরে খালেদা আক্তার (৭০) ও তাঁর ভাতিজা মনজুরুল আলম তুতুর (৩৫) ওপর হামলা করা হয়। এ সময় দা দিয়ে কুপিয়ে তাঁদের হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতদের স্বজন নাসিম হায়দার সুজন বাদী হয়ে মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়া, হনুফা বেগম ও ইতি আক্তারের নাম উল্লেখ করে মুরাদনগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা হওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর বাদশা মিয়া বাজার এলাকা থেকে হনুফা বেগম ও ইতি আক্তারকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল আসামি আবু মিয়ার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি চলন্ত ট্রেন থেকে মোস্তাক আহমেদ আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার তিনজনই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার তিন আসামিকে বুধবার কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শামছুল ইসলাম মন্টু আরও বলেন, কোনো বিচারক আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে পারেন না। দাবিগুলো যৌক্তিক হওয়ায় আইনজীবীদের সম্মতিতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।

দেয়ালে সাঁটানো পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘আসন্ন ১ নম্বর সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি গাঁজার ডিলার (খোকন) চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছি। আমি কথা দিচ্ছি, আমি চেয়ারম্যান হিসেবে জয়ী হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেব।’