ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন: আতঙ্কে দুইজনের মৃত্যুর কথা স্বীকার এমপির

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:১১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত হয়েছে

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে এসব কথা বলেন তিনি।

সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, গণমাধ্যমে ছয়জনের মৃত্যুর যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সঠিক নয়। মৃতের তালিকায় জাহানারা বেগমের নাম থাকলেও তিনি জীবিত এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, আগুনের আতঙ্কে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য দুইজন স্বাভাবিকভাবে মারা গেছেন। তবে পদদলিত বা অগ্নিদগ্ধ হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

এ সময় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইন বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পর কীভাবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের সব সমস্যা সমাধানে সময় দিতে হবে।

তবে নিহতদের স্বজনদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডের পর আতঙ্ক ও হুড়োহুড়ির মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ফুলবাড়িয়ার শাহজাহান মনির (৪৫), রমজান আলী (৩৮), তারাকান্দার কুলসুম আক্তার (৩৫) এবং নেত্রকোনার পূর্বধলার হাজেরা বেগম (৫০) রয়েছেন বলে দাবি তাঁদের।

স্বজনদের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডের সময় নিরাপদে বের হওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের ১১ নম্বর লিফটে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অগ্নিকাণ্ডের পর রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকে দ্রুত নিচে নামার চেষ্টা করেন। এ সময় হতাহতের ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সামনে আসে। মৃত্যুর সংখ্যা ও কারণ নিয়ে তৈরি হওয়া এই বিভ্রান্তি নিরসনে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শামছুল ইসলাম মন্টু আরও বলেন, কোনো বিচারক আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে পারেন না। দাবিগুলো যৌক্তিক হওয়ায় আইনজীবীদের সম্মতিতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।

দেয়ালে সাঁটানো পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘আসন্ন ১ নম্বর সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি গাঁজার ডিলার (খোকন) চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছি। আমি কথা দিচ্ছি, আমি চেয়ারম্যান হিসেবে জয়ী হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেব।’

জনপ্রিয় টার্গেট

আবারও ভারতে ফিরছে আইপিএল নিলাম

ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন: আতঙ্কে দুইজনের মৃত্যুর কথা স্বীকার এমপির

প্রকাশ: ০৩:১১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে এসব কথা বলেন তিনি।

সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, গণমাধ্যমে ছয়জনের মৃত্যুর যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সঠিক নয়। মৃতের তালিকায় জাহানারা বেগমের নাম থাকলেও তিনি জীবিত এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, আগুনের আতঙ্কে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য দুইজন স্বাভাবিকভাবে মারা গেছেন। তবে পদদলিত বা অগ্নিদগ্ধ হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

এ সময় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইন বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পর কীভাবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের সব সমস্যা সমাধানে সময় দিতে হবে।

তবে নিহতদের স্বজনদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডের পর আতঙ্ক ও হুড়োহুড়ির মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ফুলবাড়িয়ার শাহজাহান মনির (৪৫), রমজান আলী (৩৮), তারাকান্দার কুলসুম আক্তার (৩৫) এবং নেত্রকোনার পূর্বধলার হাজেরা বেগম (৫০) রয়েছেন বলে দাবি তাঁদের।

স্বজনদের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডের সময় নিরাপদে বের হওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের ১১ নম্বর লিফটে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অগ্নিকাণ্ডের পর রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকে দ্রুত নিচে নামার চেষ্টা করেন। এ সময় হতাহতের ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সামনে আসে। মৃত্যুর সংখ্যা ও কারণ নিয়ে তৈরি হওয়া এই বিভ্রান্তি নিরসনে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শামছুল ইসলাম মন্টু আরও বলেন, কোনো বিচারক আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে পারেন না। দাবিগুলো যৌক্তিক হওয়ায় আইনজীবীদের সম্মতিতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।

দেয়ালে সাঁটানো পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘আসন্ন ১ নম্বর সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি গাঁজার ডিলার (খোকন) চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছি। আমি কথা দিচ্ছি, আমি চেয়ারম্যান হিসেবে জয়ী হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেব।’