কিশোরগঞ্জে বজ্রপাতে শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ১

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:০৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পঠিত হয়েছে

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার গুজাদিয়া ইউনিয়নের বৈরাটিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হেলিম গুজাদিয়া ইউনিয়নের নামাপাড়া গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের ছেলে। আহত খোকন মিয়া একই বাড়ির সাইদুর রহমানের ছেলে।

নিহতের প্রতিবেশী রমজান মিয়া ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে খোকন মিয়াসহ আটজনের একটি দল নিয়ে ধনিয়াপাতা সংগ্রহের জন্য পাশের নামাপাড়া গ্রামে যান হেলিম। কাজ করার সময় হঠাৎ আকাশ অন্ধকার হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাতে হেলিম গুরুতর আহত হন। বিকট শব্দে পাশে থাকা খোকন মিয়াও অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

পরে অন্য শ্রমিক ও স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হেলিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেব খান বলেন, ‘বজ্রপাতে মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হেলিমের চার বছর, দুই বছর ও ৯ মাস বয়সী তিনটি সন্তান রয়েছে। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’

রাব্বীর বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার নোয়াগাঁও গ্রামে। বাবার নাম হারুন অর রশীদ। বর্তমানে যাত্রাবাড়ীর গোবিন্দপুর এলাকায় তাদের বাড়ি। তবে রাব্বীর নামে কদমতলি থানায় দুটি মাদক মামলা রয়েছে।

ভিটেমাটি হারানো পরিবারগুলোর মধ্যে যাদের অন্যত্র যাওয়ার সামর্থ্য নেই, তারা বারবার নদীর তীরে নতুন করে ঘর বাঁধছেন। কোনো কোনো পরিবার এ পর্যন্ত ৮ থেকে ১০ বার বসতঘর নির্মাণ করেছে। শেষ সম্বলটুকুও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় অনেকেই সরকারি সড়কের ওপর আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে নির্মমভাবে খুন হয়েছেন শেখ ওয়াসিম রনি (৪৩) নামে এক ব্যবসায়ী। নিখোঁজের তিনদিন পর বালি চাপা দেওয়া রনির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহের হাত-পা বাঁধা এবং মুখে পলিথিন পেঁচানো ছিল। আজ শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে লালবাগ বিসি দাস স্ট্রিট ৯ নম্বর বাড়ির নিচ তলার ফাঁকা…

জনপ্রিয় টার্গেট

যৌথ খতিয়ানে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধে হয়রানি-জটিলতা নিরসনে ৬ নির্দেশনা

কিশোরগঞ্জে বজ্রপাতে শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ১

প্রকাশ: ০৩:০৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার গুজাদিয়া ইউনিয়নের বৈরাটিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হেলিম গুজাদিয়া ইউনিয়নের নামাপাড়া গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের ছেলে। আহত খোকন মিয়া একই বাড়ির সাইদুর রহমানের ছেলে।

নিহতের প্রতিবেশী রমজান মিয়া ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে খোকন মিয়াসহ আটজনের একটি দল নিয়ে ধনিয়াপাতা সংগ্রহের জন্য পাশের নামাপাড়া গ্রামে যান হেলিম। কাজ করার সময় হঠাৎ আকাশ অন্ধকার হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাতে হেলিম গুরুতর আহত হন। বিকট শব্দে পাশে থাকা খোকন মিয়াও অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

পরে অন্য শ্রমিক ও স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হেলিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেব খান বলেন, ‘বজ্রপাতে মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হেলিমের চার বছর, দুই বছর ও ৯ মাস বয়সী তিনটি সন্তান রয়েছে। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’

রাব্বীর বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার নোয়াগাঁও গ্রামে। বাবার নাম হারুন অর রশীদ। বর্তমানে যাত্রাবাড়ীর গোবিন্দপুর এলাকায় তাদের বাড়ি। তবে রাব্বীর নামে কদমতলি থানায় দুটি মাদক মামলা রয়েছে।

ভিটেমাটি হারানো পরিবারগুলোর মধ্যে যাদের অন্যত্র যাওয়ার সামর্থ্য নেই, তারা বারবার নদীর তীরে নতুন করে ঘর বাঁধছেন। কোনো কোনো পরিবার এ পর্যন্ত ৮ থেকে ১০ বার বসতঘর নির্মাণ করেছে। শেষ সম্বলটুকুও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় অনেকেই সরকারি সড়কের ওপর আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে নির্মমভাবে খুন হয়েছেন শেখ ওয়াসিম রনি (৪৩) নামে এক ব্যবসায়ী। নিখোঁজের তিনদিন পর বালি চাপা দেওয়া রনির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহের হাত-পা বাঁধা এবং মুখে পলিথিন পেঁচানো ছিল। আজ শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে লালবাগ বিসি দাস স্ট্রিট ৯ নম্বর বাড়ির নিচ তলার ফাঁকা…