যৌথ খতিয়ানের সম্পূর্ণ ভূমির কর একসঙ্গে পরিশোধ করা সম্ভব না হলে বণ্টননামা করে পৃথক খতিয়ান সৃষ্টির সুযোগ রাখা হয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিকেএমপি অনুবিভাগ গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, বর্তমানে যৌথ মালিকানার খতিয়ানের সম্পূর্ণ ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর একসঙ্গে পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফলে হিস্যা অনুযায়ী খতিয়ানের এক বা একাধিক মালিকের জমির ভূমি উন্নয়ন কর তথা খতিয়ানের আংশিক জমির কর পরিশোধের সুযোগ নেই।
ভূমি উন্নয়ন কর আইন অনুযায়ী উত্তরাধিকারসূত্রে বা অন্য কোনোভাবে হস্তান্তরের ফলে ভূমির মালিকানা একাধিক ব্যক্তির ওপর বর্তালে এবং তারা জমা খারিজ করে পৃথক নামজারি না করলে ওই ভূমি একই খতিয়ানে গণ্য করে ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ করতে হয়।
আইনি এই বিধানের কথা তুলে ধরে পরিপত্রে বলা হয়েছে, এ বিধানের ফলে খতিয়ানের সব মালিক ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধে আগ্রহী না হলে খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত এক বা একাধিক মালিক তাঁদের হিস্যা অনুযায়ী মালিকানাধীন জমির ভূমি উন্নয়ন কর পৃথকভাবে পরিশোধ করতে পারেন না।
পাশাপাশি যৌথ খতিয়ানের এক বা একাধিক মালিকের পক্ষে পুরো ভূমির উন্নয়ন কর পরিশোধ করাও কঠিন এবং তা যৌক্তিক বা সমীচীন নয়। ফলে কোনো মালিক হিস্যা অনুযায়ী তাঁর মালিকানাধীন অংশ হস্তান্তর বা অন্য কোনো প্রয়োজনে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে না পারায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়।
এসব জটিলতা ও হয়রানি নিরসনে মন্ত্রণালয় ছয় দফা নির্দেশনা দিয়েছে।
অনিবার্য কারণে যৌথ মালিকানার খতিয়ানের সম্পূর্ণ ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর একসঙ্গে পরিশোধ করা সম্ভব না হলে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ বা দাখিলা ছাড়াই রেজিস্টার্ড বণ্টননামা দলিল বা আদালতের মাধ্যমে বণ্টননামা করা যাবে।
বণ্টননামার ভিত্তিতে যৌথ মালিকানার খতিয়ানের এক বা একাধিক মালিক ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ ছাড়াই একক বা পৃথক খতিয়ান সৃজনের জন্য নামজারির আবেদন করতে পারবেন।
মালিকানার সঠিকতা যাচাই করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভূমি উন্নয়ন কর আদায় বা দাখিলা ছাড়াই নামজারির আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।
নতুন সৃজিত খতিয়ানের মালিককে তাঁর হিস্যা অনুযায়ী আগের যৌথ খতিয়ানের ভূমি উন্নয়ন করের বকেয়া প্রযোজ্য হারে এবং হাল দাবি পরিশোধ করে দাখিলা নিতে হবে।
যৌথ খতিয়ান থেকে বণ্টননামার মাধ্যমে নামজারি করে পৃথক খতিয়ান সৃজন ছাড়া কোনো মালিক এককভাবে তাঁর অংশের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে পারবেন না।
এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে অনলাইন ও অটোমেটেড ভূমিসেবা সিস্টেমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বা মডিউল সংযোজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত ২৭ জুলাই থেকে হজের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান ১৯৮৯ সালের ১ জুলাই নৌবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি নৌবাহিনীর এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ ও উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন।
চিফ হুইপ বলেন, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় সরকার। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব থাকবে, তবে সেই বন্ধুত্ব কোনোভাবেই দেশের স্বার্থের পরিপন্থী হতে দেওয়া হবে না।
দৈনিক টার্গেট 

























